1 Answers
স্বয়ং ঈশ্বর জ্ঞানীর কাছে ব্রহ্ম আবার যোগীর কাছে পরমাত্মা।
নিরাকার ব্রহ্মকে জ্ঞানী ব্যক্তিরা সর্বত্রই অনুধাবন করে থাকেন। ব্রহ্ম সর্বত্রই অবস্থান করেন অথচ তাকে দেখা যায় না। শুধু অনুভব করা যায়। সমুদ্রের নোনতা জলের মতন। লবণ দেখা যায় না অথচ লবণের স্বাদ সর্বত্র। এ ব্রহ্মই পরমাত্মা। যোগীরা পরমাত্মাকে উপলব্ধি করতে পারেন।
রতনের বাবা রতনকে বলেছেন যে, যার কারণে এ জগৎ সৃষ্টি তাকে দেখা যায় না। জ্ঞানী বা যোগীরা তাকে অনুভব করেন গভীরভাবে। তিনি সৃষ্টির আদি পুরুষ। বিশ্বের একমাত্র পরম আশ্রয়স্থল। পৃথিবীর সকল মুগ্ধতার কারণ একমাত্র তিনি। তিনি নিজেই নিজেকে আবির্ভাব ঘটান আবার নিজেই বিলীন হয়ে যান। জ্ঞানী ব্যক্তিরা সব সময় ঈশ্বরকে বৃহৎ বলেই জানেন। আর এ বৃহৎই ব্রহ্ম। বৃহত্বাৎ ব্রহ্ম। যার থেকে বড় কিছু নেই। আবার যোগী ব্যক্তিগণের কাছে ঈশ্বরই জীবাত্মা। জীবাত্মা নিরাকার, নির্গুণ ও নিশ্চল অবস্থায় নিজের মধ্যে অবস্থান করে। তাই সে পরমাত্মা বলে অভিহিত হয়। এ আত্মা ব্রহ্মময়। ব্রহ্ম সর্বব্যাপী। জ্ঞানীরা ভাবেন ব্রহ্মই পরমাত্মা।