1 Answers
কুদরত কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতির সুবিধা সম্পর্কে অবহিত হয়েছিল। যে পদ্ধতিতে গর্ভধারণের উদ্দেশ্যে যান্ত্রিক উপায়ে সংগৃহীত ও প্রক্রিয়াজাতকৃত ষাঁড়ের বীর্য বা সিমেন কৃত্রিমভাবে গাভি/বকনার জরায়ুতে প্রবেশ করানো হয়, তাকে কৃত্রিম প্রজনন বলে। এই প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো কম সময়ে গরুর জাত উন্নত করা। এছাড়াও এ প্রযুক্তির মাধ্যমে দুধ ও মাংসের ঘাটতি পূরণ করা যায়, আমিষ খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায়। কৃষি কাজের জন্য বলিষ্ঠ, কর্মক্ষম জাতের গরু সৃষ্টি করা যায়। সরাসরি পালজনিত মারাত্মক দুর্ঘটনা এড়ানো যায়। গাভির প্রজনন সংকট ও বিভিন্ন যৌন ব্যাধি প্রতিরোধ করা যায় এবং পছন্দমতো সংকর জাতের বাচ্চা উৎপাদন করা যায়।
পরিশেষে বলা যায়, উন্নত জাত ও মানের ষাঁড়ের বীর্য ব্যবহার করে ভালো জাতের গরু পাওয়াসহ উল্লিখিত সুবিধাসমূহের কারণে কৃত্রিম প্রজনন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।