1 Answers

যীশু ক্রোধ সম্পর্কে বিভিন্ন উপদেশ দিয়েছেন, যা প্রধানত মানুষের হৃদয়ে শান্তি বজায় রাখা এবং সম্পর্ক রক্ষা করার উপর গুরুত্বারোপ করে। তাঁর শিক্ষাগুলোতে ক্রোধকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং সহানুভূতির সাথে জীবনযাপন করার উপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ হলো:

1. অপ্রয়োজনীয় ক্রোধ থেকে বিরত থাকা: যীশু ক্রোধকে একটি গুরুতর বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন যে অযথা কারও প্রতি ক্রুদ্ধ হওয়া সমানভাবে দোষের। মথি ৫:২২-এ তিনি বলেন:

  • " কিন্তু আমি তোমাদের বলছি, যে কেউ নিজের ভাইয়ের ওপর ক্রোধ করবে, সে বিচারের যোগ্য হবে।" 

2. সমাধান খোঁজা ও মিলন ঘটানো: যীশু পরামর্শ দেন যে যদি কারও সাথে কোনো বিরোধ বা ক্রোধ থাকে, তবে দ্রুত তা সমাধান করা উচিত। মথি ৫:২৩-২৪-এ তিনি বলেন:

  • " "অতএব, যদি তুমি বেদীর সামনে তোমার দান নিয়ে যাও এবং সেখানে মনে পড়ে যে তোমার ভাইয়ের সঙ্গে কোনো বিরোধ আছে, তবে তোমার দানটি সেখানে বেদীর সামনে রেখে, আগে তোমার ভাইয়ের সঙ্গে মিটমাট কর, তারপর ফিরে এসে তোমার দান দাও।"

3. ক্ষমা এবং দয়া প্রদর্শন করা: যীশুর শিক্ষার একটি মূল অংশ হলো ক্ষমা। লূক ৬:৩৭-এ তিনি বলেন: 

  • "কারো বিচার কোরো না, তাহলে তোমাদেরও বিচার করা হবে না। কাউকে দোষারোপ কোরো না, তাহলে তোমাদেরও দোষারোপ করা হবে না। ক্ষমা কর, এবং তোমরা ক্ষমা পাবে।"\

যীশুর এই শিক্ষাগুলো থেকে বোঝা যায় যে তিনি ক্রোধ থেকে মুক্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন, কারণ ক্রোধ সম্পর্ক নষ্ট করে এবং অন্তরে অশান্তি আনে। তিনি পরামর্শ দেন শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান করা এবং অপরের প্রতি দয়া ও ক্ষমা প্রদর্শন করার মাধ্যমে সম্পর্ককে সুদৃঢ় করা।

4 views

Related Questions