1 Answers
সিন্ধু সভ্যতায় আবিষ্কৃত উন্নত নগর পরিকল্পনা, দুর্গ নগরী, ওজন পরিমাপ পদ্ধতি, বৃহৎ শস্যাগার প্রভৃতি থেকে একটি কেন্দ্রীয় শাসকগোষ্ঠীর অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়। বিশেষ করে মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা নগরীর একই ধরনের অবকাঠামো ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য থেকে ধারণা করা যায় যে, সিন্ধু সভ্যতা একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থার অধীনে ছিল। ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার আর. ই. মর্টিমার হুইলার (Sir Robert Eric Mortimer Wheeler) বলেন, " সিন্ধু সভ্যতার মানুষ একজন যাজক রাজার দ্বারা শাসিত হতো।" অথাৎ রাজা একইসাথে পুরোহিত ও শাসকের ভূমিকা পালন করতেন। এছাড়া সিন্ধু সভ্যতায় আবিষ্কৃত সিলমোহর ও বাটখারা পর্যবেক্ষণ করে ধারণা করা হয় যে, সে সময়ের প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল, ফসলের মাধ্যমে খাজনা আদায় করা। আর খাজনা আদায়ের জন্য শাসকগোষ্ঠী একটি সুশৃঙ্খল রাজস্বব্যবস্থা ও প্রশাসন গড়ে তুলেছিল।