1 Answers

উদ্দীপকে জনাব হালিমের গবেষণা কর্মটি ফিকহশাস্ত্র নিয়ে। আর এ সম্পর্কে অধ্যাপক সালামের মন্তব্যটি যথার্থ। ফিকহ শব্দের অর্থ- অনুধাবন করা, বুঝতে পারা ইত্যাদি। পরিভাষায় ফিকহ বলতে বোঝায়, বিশুদ্ধ দলিল-প্রমাণাদি সহকারে মানুষের কর্মসংক্রান্ত ব্যাপারে শরিয়তের হুকুম-আহকাম সম্পর্কিত গভীর জ্ঞান। আর যে শাস্ত্রে কর্মসংক্রান্ত তথা ব্যাবহারিক জীবনের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা সংক্রান্ত শরিয়তের হুকুম-আহকাম ও বিধি-বিধান আলোচিত হয়, সে শাস্ত্রকে বলা হয় ফিকহশাস্ত্র বা ইলমুল ফিকহ। মূলত কুরআন ও হাদিস থেকে বিধান বের করা সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণে কুরআন ও হাদিসের নির্যাসগ্রন্থ হিসেবে ফিকহশাস্ত্র বা ইসলামি আইনশাস্ত্র রচিত হয়। উদ্দীপকের জনাব হালিম এ ধরনের শাস্ত্রই রচনা করেছেন।

উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব হালিম কুরআন-হাদিস গবেষণা করে তার বিধি-বিধান রচনা করে প্রসিদ্ধি লাভ করেন এবং এর আলোকে তিনি নিজ জীবন পরিচালনা করেন। জনাব হালিমের রচিত গ্রন্থ তথা ফিকহ ব্যক্তিজীবন সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ করতে পারে। কেননা এর মাধ্যমে মানুষ শরিয়তের সব বিধান সম্পর্কে সহজে জানতে পারে। আর তাই ফিকহশাস্ত্রের গবেষণা নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় ও মহৎ কাজ। এটি আল্লাহর রহমত ছাড়া সম্ভব নয়। তিনি যাকে দীনের সূক্ষ্ম জ্ঞান দান করেছেন তিনিই এ গবেষণা করতে পারেন।

সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, জনাব হালিমের গবেষণা কর্মটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহ তাকে কল্যাণ দান করবেন।

4 views

Related Questions