1 Answers
কৃষি শিক্ষক বাংলাদেশে পশু সম্পদ উন্নয়নের যথেষ্ঠ সম্ভাবনার কথা বলেছেন। নিচে তা আলোচনা করা হলো-
১. বাংলাদেশের আবহাওয়া, জলবায়ু ও পরিবেশ পশুর জন্য উপযোগী।
২. গবাদিপশুর মাংস ও দুধের যথেষ্ঠ চাহিদা আছে। বছরে মাংসের চাহিদা ৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন এবং দুধের চাহিদা প্রায় ১৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন। এ চাহিদা পূরণের জন্য গবাদি পশু পালনের সুযোগ আছে এবং তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৩. বর্তমানে দেশে প্রায় ০.৯ মিলিয়ন মেট্রিক টন মাংস ও প্রায় ৭.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন দুধের ঘাটতি রয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে পশু সম্পদ উন্নয়নের যথেষ্ঠ সুযোগ আছে।
৪. বাজারে মাংস ও দুধের ঘাটতি থাকায় দাম বেশি। ফলে উৎপাদকরা লাভবান হতে পারে।
৫. দেশে প্রচুর চরাঞ্চল, পতিত জমি ও অনাবাদি জমি আছে যেখানে পশুর চারণভূমি করে পশুপালনের সুযোগ রয়েছে।
৬. পশুর উপজাত দ্রব্য যেমন-গোবর দিয়ে জৈব সার, শিং, খুর, পশম, হাড়, রক্ত ইত্যাদি দিয়ে বিভিন্ন দ্রব্য তৈরি করা যায়। এতে আত্ম-কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়।
অনেক প্রতিকূলতা, স্বল্পতা ও সমস্যা থাকার পরও বাংলাদেশে পশুসম্পদ অনেক সম্ভাবনাময়। এর জন্য দরকার সচেতনা, সঠিক পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন। অতএব, কৃষি শিক্ষকের বর্ণিত সম্ভাবনাগুলো যথার্থ ছিল।