1 Answers

ভিটামিন K

4 views

Related Questions

দেশের অর্থনীতিভাবে গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পোশাক শিল্প। যেখানে প্রায় ৪৫ লাখ শ্রমিক কর্মরত । এ সকলে শ্রমিকদের ব্যাংকিং সেবার প্রয়োজন থাকা সত্বেও ৮০ থেকে ৯০ ভাগের কোন ব্যাংক হিসাব না থাকায় তারা সব ধেরনের ব্যাংকিং সেবা থেকে বঞ্চিত বেতন তুলতে হয়, গ্রামাঞ্চলে বাবা মা এবং ভাই-বোনের কাছ টাকা পাঠাতে হয়। শ্রমজীব এ বিপুল জনগোষ্ঠীয় কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌছানোর ক্ষেত্রে দেশের প্রথাগত ব্যাংকিংয়ের চেয়ে উপর্জনকারী দূরে গেলেও বো অধিকতর উপযোগী প্রমাণিত হয়েছে। এই সেবা চালু হওয়ার পর থেকে সংসারের একমতা্র উপর্জনকারী দূরে গেলেও অনেকটাই নিশ্চিত থাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে তুলনামূলক কম খরচে গ্রাহকসেবা পাওয়া সম্বব। এই সেবা মানুষখে সঞ্চয় অভ্যাস গড়ে তুলতেও সহযোগিতা করে বলে সম্প্রতি আইএফসির এক গবেষণা জানা যায়। সুতরায় মানুষের কাছে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম যত দ্রুততার সঙ্গে সম্প্রসারিত হবে তাদের আর্থিক সেবা ততই সহললভ্য হবে। (Translate in to English)
1 Answers 5 Views
কর্ম মুখর পৃথিবীতে মানুষ তার কর্মময় জীবন নিয়ে বেঁচে থাকে। এই কর্মের সোনালি ফসল কিছু সে ভোগ করে , আর কিছু জগতের কল্যানের জন্য নিবেদন করে। এ পৃথিবীতে মানুষের জীবন নশ্বর তাই নশ্বর জীবনে যা কিছু ভোগ করা হয় , জীবন অতিবাহিত হওয়ার পথে তা নিঃশেষিত হয়ে যায়। এ জগতে যারা স্বার্থপর তাদের জীবনে ভোগের পরিমান বেশি। কিন্তু যারা কল্যানকামী , যারা ত্যাগ স্বীকার করে মানবকল্যানের জন্য নিজদের জীবনকে উৎসর্গ করে গিয়েছেন , তাদের মৃত্যুর সাথে সাথে সে জীবন নিঃশেষিত হয়ে যায় না। ব্যাক্তিমানুষের মৃত্যু ঘটে, কিন্তু কীর্তি বেঁচে থাকে। তাই যে ব্যাক্তি জনগনের কল্যানে কিছু করে , মানবজীবনে তা অমর হয়ে রয়ে যায়। বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসে দৃষ্টি নিবন্ধ করলে দেখা যায় , জগতে যারা মানবকল্যানে কিছু দিয়ে গেছেন তারাইওমর হয়ে আছেন। মহাকালের করাল গ্রাসে সবই চলে যায় , কিন্তু বেঁচে থাকে তার সুকীর্তি। সেই মহৎ কীর্তি জগতে অমর হয়ে থাকে। সকৃতজ্ঞ জনগন তার অবর্তমানে তার দানের ভার বহন করে।
1 Answers 16 Views
দীর্ঘ দিন ধরে নিন্মমুখী প্রবনতা লক্ষ্য করা গেলেও , প্রবাসী আয় আবার বারতে শুরু করেছে । গত নভেম্বর মাসে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১২১ কোটি ৪৭ লক্ষ ডলার, যা আগের মাস অক্টোবরের চেয়ে ৪.৪৭ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় গত মাসে ২৬ কোটি ৩৩ লাখ বেশি প্রবাসী আয় এসেছে যা প্রায় ২৭.৬৭ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী , সব মিলিয়ে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসের আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে ১০.৭৬ শতাংশ । এই পাঁচ মাসে দেশে ৫৭৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। টাকার বিপরীতে ডলার তেজি হওয়া, হুন্ডি বন্ধ করা এবং বিকাশের বেশ কিছু এজেন্ট ও হিসাব বন্ধ করে দেওয়ায় প্রবাসী আয় বাড়তে শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে আরও দেখা যায়, নভেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় খাতের ছয় বানিজ্য ব্যাংকের মাধ্যমে ২৬ কোটি ৯৬ লাখ মার্কিন ডলার এবং বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৯২ কোটি ১ লাখ ডলার দেশে এসেছে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views
"আমার বাংলার সভ্যতা, আমার বাঙালি জাতি এ নিয়ে হল, বাঙালি জাতীয়বাদ। বাংলার কৃষ্টি, বাংলার ঐতিহ্য, বাংলার আকাশ-বাতাস, বাঙালির রক্ত দিয়ে গড়া, বাংলার জাতীয়তাবাদ। আমি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, জনসাধারণের ভোটের অধিকারকে বিশ্বাস করি। আমরা বিশ্বাস করি সমাজতন্ত্রে, যেখানে শোষণহীন সমাজ থাকবে। শোষকশ্রেণী আর কোনদিন দেশের মানুষকে শোষণ করতে পারবে না, সেই জন্যই অর্থনীতি হবে সমাজতান্ত্রিক। আর হবে ধর্ম-নিরপেক্ষতা, ধর্ম-নিরপেক্ষতা মনে ধর্মহীনত্য নয়। হিন্দু তার ধর্ম পালন করবে, মুসলমান তার ধর্ম পালন করবে, খৃষ্টান-বৌদ্ধ যে যার ধর্ম পালন করবে। কেউ কারো ধর্মে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না, বাংলার মানুষ এটা চায় না। রাজনৈতিক কারণে ধর্মকে ব্যবহার করা যাবে না। যদি কেউ ব্যবহার করে, তাহলে বাংলার মানুষ তাকে প্রত্যাখ্যাত করবে, এ বিশ্বাস আমি করি। এখানে ধর্মের নামে ব্যবসা চলবে না। ” (Translate into English)
1 Answers 6 Views
প্রত্যেক জাতির বিশেষ কতকগুলো দিন থাকে যার মর্যাদা ও গুরুত্ব অত্যধিক। জাতির অগ্রগতি ও চেতনার পেছনে সেসব কাজ করে। স্বাধীনতা দিবস তেমনি একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। স্বাধীনতা দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। যে জাতি পরাধীন সে জাতির কোন গৌরব নেই। স্বাধীনতা জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলে। তাই জাতির জীবনে স্বাধীনতার সীমাহীন গুরুত্ব রয়েছে। যে দিবসটিতে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল সে দিনকে তাই স্মরণ করে জাতীয় জীবনে তা প্রেরণা অনুভব করা হয়ে থাকে।আমাদের জাতীয় জীবনেও স্বাধীনতা দিবসের অবদান ও অপরিসীম গুরত্ব বিদ্যমান রয়েছে। এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এর জন্য বহু ত্যাগ আমাদের স্বীকার করতে হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে এই দিনই আমাদের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। সেই মহান দিনের কথা স্মরণ করেই প্রতি বছর ছাব্বিশে মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। আমাদের জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবসের সীমাহীন তাৎপর্য অনুসরণ করে থাকি। পরাধীনতা আর শোষণের যাতনা থেকে আমরা এই দিনে মুক্তি পেয়েছিলাম। স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য বাঙালির সংগ্রাম এই দিনে শুরু হয়েছিল। স্বাধীনতা দিবসে তাই আমাদের মর্যাদা নতুন করে উপলব্ধি করার সময়। নিজেদেরও চেনার সুযোগ নিয়ে আসে এই দিনটি।জাতীয় জীবনের কর্তব্য সম্পর্কেও এই দিন সচেতন হওয়া যায়। স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে তার জন্য উপযুক্ত হয়ে আমাদের তৈরি হতে হবে। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা অনেক কঠিন। তাই নিজেদের সুশৃঙ্খল জাতি হিসেবে গড়ে উঠার মাধ্যমে সংগ্রামের সাফল্য নির্ভর করে। সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে গড়ে উঠার জন্য স্বাধীনতা দিবস আমাদের কর্তব্য-সচেতন করে। স্বাধীনতা দিবস আমাদের গৌরবের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়-নতুন করে শপথ নেবার সুযোগ আনে স্বাধীনতা দিবস । (Translate from Bangla to English)
1 Answers 9 Views
বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে। বড় হওয়ার পেছনে কাঠামোগতভাবে একসময়ে কৃষির অবদান সবচেয়ে বেশি থাকলেও বর্তমানে সেই চিত্রে পরিবর্তন এসেছে। কৃষির জায়গাটি দখল করে নিয়েছে সেবা ও শিল্প খাত। গত পাঁচ বছরের সরকারি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দেশের অর্থনীতিতে ধারাবাহিকভাবে অবদান বাড়িয়ে চলেছে উৎপাদন শিল্প । অর্থনীতিকে বড় করতে এ খাতই এখন মূখ্য ভূমিকা রাখছে। কৃষিনির্ভর অর্থনীতির কাঠামো বদলাতে শুরু করে আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে। মূলত পোশাক খাতের সংযোগ হিসেবে গড়ে ওঠে অনেক শিল্প। এছাড়া ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পোশাক খাতের পাশাপাশি বেশকিছু ভারী শিল্পেও গড়ে উঠতে থাকে। আর এভাবেই অর্থনৈতিক কাঠামোতে জায়গা করে নিতে শুরু করে উৎপাদন খাত। (Translate into English)
1 Answers 8 Views