1 Answers

He was an honest man. wasn't he?

5 views

Related Questions

সমাজ সাধারণভাবে মানুষকে সৃষ্টি করে, মানুষ আবার নিজেকে গড়ে তোলে শিক্ষাদীক্ষা ও সৌন্দর্য সাধনার সহায়তায়। এই যে নিজেকে বিশেষভাবে গড়ে তোলা, এরই নাম কালচার। তাই কালচার্ড মানুষ স্বতন্ত্রসত্তা, আলাদা মানুষ। নিজের চিন্তা, নিজের ভাবনা, নিজের কল্পনার বিকাশ না হলে কালচার্ড হওয়া যায় না। চিন্তা ও বিশ্বাসের ব্যাপারে সমতা স্থাপন করে মানুষের স্বাতন্ত্র্য লুপ্ত করতে চায় বলে সামাজিক বিধি-বিধান অনেক সময়ে কালচারের পরিপন্থি। নিজেকে বাঁচাও, নিজেকে মহান করো, সুন্দর করো, বিচিত্র করো এ-ই কালচারের আদেশ। কালচার ব্যক্তিতান্ত্রিক একথা বললে এ বুঝায় না যে, পারে কোত্থেকে? সুতরাং নিজের স্বার্থের দিকে নজর রেখেই কালচার্ড মানুষ সমাজের কথা ভাবে, এমন কি দরকার হলে কালচার্ড মানুষ সমাজের ধার ধারে না, সে দলছাড়া, গোত্রছাড়া জীব। তা নয়, সমাজের ধার সে খুবই ধারে। নইলে প্রাণ সমাজের জন্য প্রাণ পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত থাকে। সংস্কৃতিবান মানুষ ব্যক্তিতান্ত্রিক এই অর্থে যে, সমাজ বা অর্থনীতির কথা ভেবে সে নিজের অসৌন্দর্যকে ক্ষমা করে না। (Translate into English)
1 Answers 18 Views
প্রত্যেক জাতির বিশেষ কতকগুলো দিন থাকে যার মর্যাদা ও গুরুত্ব অত্যধিক। জাতির অগ্রগতি ও চেতনার পেছনে সেসব কাজ করে। স্বাধীনতা দিবস তেমনি একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। স্বাধীনতা দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। যে জাতি পরাধীন সে জাতির কোন গৌরব নেই। স্বাধীনতা জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলে। তাই জাতির জীবনে স্বাধীনতার সীমাহীন গুরুত্ব রয়েছে। যে দিবসটিতে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল সে দিনকে তাই স্মরণ করে জাতীয় জীবনে তা প্রেরণা অনুভব করা হয়ে থাকে।আমাদের জাতীয় জীবনেও স্বাধীনতা দিবসের অবদান ও অপরিসীম গুরত্ব বিদ্যমান রয়েছে। এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এর জন্য বহু ত্যাগ আমাদের স্বীকার করতে হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে এই দিনই আমাদের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। সেই মহান দিনের কথা স্মরণ করেই প্রতি বছর ছাব্বিশে মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। আমাদের জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবসের সীমাহীন তাৎপর্য অনুসরণ করে থাকি। পরাধীনতা আর শোষণের যাতনা থেকে আমরা এই দিনে মুক্তি পেয়েছিলাম। স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য বাঙালির সংগ্রাম এই দিনে শুরু হয়েছিল। স্বাধীনতা দিবসে তাই আমাদের মর্যাদা নতুন করে উপলব্ধি করার সময়। নিজেদেরও চেনার সুযোগ নিয়ে আসে এই দিনটি।জাতীয় জীবনের কর্তব্য সম্পর্কেও এই দিন সচেতন হওয়া যায়। স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে তার জন্য উপযুক্ত হয়ে আমাদের তৈরি হতে হবে। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা অনেক কঠিন। তাই নিজেদের সুশৃঙ্খল জাতি হিসেবে গড়ে উঠার মাধ্যমে সংগ্রামের সাফল্য নির্ভর করে। সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে গড়ে উঠার জন্য স্বাধীনতা দিবস আমাদের কর্তব্য-সচেতন করে। স্বাধীনতা দিবস আমাদের গৌরবের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়-নতুন করে শপথ নেবার সুযোগ আনে স্বাধীনতা দিবস । (Translate from Bangla to English)
1 Answers 9 Views
নজরুল বিদ্রোহী-চেতনা রূপ লাভ করেছিল পরাধীনতার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে। নজরুলের চিন্তাধারা তাঁর বিদ্রোহী সাল সমষ্টিগত পরিচয় - রাজনৈতিক পরাধীনতা, সাম্প্রদায়িকতা, নারীর অবদমন ও সাংস্কৃতিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে। জীবনের পুরোটা সময় তিনি প্রায় চরম দারিদ্র্যের মধ্যে কাটিয়েছেন। দারিদ্র্যকে তিনি নিজের হাতের রেখার মতো চিনতেন। সেজন্য তাঁর সব বিদ্রোহী চেতনার উৎসস্বরূপ দারিদ্র্যকে চিহ্নিত করা যায়। নজরুলের এই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য পশ্চিমা পুঁজিবাদী সমাজের ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য থেকে ভিন্ন। এই ভিন্নতা কবির বিদ্রোহী সত্তার পরিচয় হলেও সামাজিক ব্যবস্থায় এর অবস্থান কবির রচন ব্যতিক্রমী মাত্রায় প্রতিফলিত হয়েছে। নজরুলের মধ্যে বিদ্রোহ আছে, বিপ্লবী চেতনা আছে, এবং এই কারণে ব্যক্তিস্বাতাহার দিক থেকে তিনি বরাবর আপোসহীন। আর তাঁর অনুসরণে সমাজের দৃঢ়চেতা মানুষগুলো আপন আপন বৈশিষ্ট্য নিয়ে উজ্জ্বল হয়ে উঠলে সমাজের সর্বোচ্চ উন্নতি হতে বাধ্য। (Translation into English)
1 Answers 7 Views
নারী পুরুষের সম-অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা যেতে পারে। সৃষ্টির দিক দিয়ে, শিক্ষার দিক দিয়ে উভয়ের মাঝে কোন পার্থক্য বা বৈষম্য নেই। সর্বক্ষেত্রে নারী আজ ঈর্ষণীয় সাফল্যের স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছে। কাজেই সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উন্নয়নে নারী সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। নারী আজ তার মেধা ও কর্মদক্ষতার বলে উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় পদে অধিষ্ঠিত। তাই সার্বিক উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় নারীর সম্পৃক্ততা একাত্ত্বই বাঞ্ছনীয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ, কারিগরি শিক্ষা, সম্পদ ও বাজার ব্যবস্থাপনায় নারীর পূর্ণ ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে পারলে উন্নয়ন কর্মকান্ডের গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। অবশ্য বাংলাদেশ সরকার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে নারীর সম্পৃক্ততা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে অনেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। (Translate into English)
1 Answers 8 Views