1 Answers

Ek=8×10-312mω2A2=8×10-3ω=4 rad/sec y=A sin (ωt+ϑ)y=0.1sin 4t+π4

10 views

Related Questions

আধুনিক বিশ্বে শিক্ষাগত পরিবর্তন প্রক্রিয়া নানা কারণে গতিময় গয়ে উঠেছে। যোগযোগ ও আদান প্রদানের নতুন নতুন প্রযুক্তিগত মাধ্যম, আধুনিক পদ্ধতিতত্ত্ব, সর্বাধুনিক শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষা সমাজের প্রতিটি পর্যায়ে দ্রুত পরিবর্তনআনতে সক্ষম হচ্ছে। শিক্ষাহলো একটি সামাজিক প্রকিয়া- যে প্রক্রিয়া – যে প্রক্রিয়া দ্বারা সমাজশক্তির কর্তৃত্ব ব্যক্ত হয়। আমাদের সমাজে িএই শক্তি রাষ্ট্রকেও প্রভাবিত করে। আবার এদেশের শিক্ষার একটি বৃহত্তম অংশ রাষ্্রের নিয়ন্ত্রণাধীন পরিচালিত। তাই সরকার যে শিক্ষানীতি ধার্য করেন সেই নীতি স্বাভাবিকভাবে সমজা ব্যবস্থা রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম হয়। সামাজিক প্রক্রিয়া হিসেবে সমাজ পরিবর্তনে শিক্ষার ভূমিকা স্বীকৃতি আমরা আমেরিকান প্রয়োগবাদী শিক্ষা- দার্শনিক জন ডিউইয়ের আলোচনাতেও লক্ষ করি। তিনি বলেন, শিক্ষা শুধু একটি ভিত্তিহীন প্রক্রিয়া নয়, এটি সামাজিক প্রক্রিয়া। প্রক্রিয়া হলো একটি আদি- অন্তহীন গতি। এই গতি নিরবচ্ছিন্ন পরিবর্তশীল।শিক্ষা কোন কৃত্রিম গতি নয়। এটি মানবজীবনের স্বাভাবিক গতি- প্রক্রিয়া ।এই প্রক্রিয়ার সাহায্যে সামাজিক পটভূমিকায় মানুষ তার জীবনকে পুর্গঠন করে। (Bengali to English)
1 Answers 5 Views
আঠারো/ উনিশ শতকে ঢাকার একটা আলাদা জীবন ছিল। কিন্তু সমস্ত পূর্ববঙ্গ একটা পশ্চাৎ ভূমি। বাংলার রাজধানী কোলকাতা থাকায় সেখানেই ছিল সমস্ত শিক্ষা, দীক্ষা ব্যবসআ বাণিজ্য এবং সমৃদ্ধি। পূর্ব বাংলা থেকে সমস্ত অর্থ- সম্পদ চলে যেত কোলকাতা কেন্দ্রিক জমিদারদের হাতে , যাদের অনেকেরই জমিদারি ছিল বাংলাদেশে। এই বঞ্চনার ইতিহাস দীর্ঘ হতে হতে কুঁড়ি শতকের ইংরেজ শাসকরাও বুঝতে পেরেছিলেন যে পূর্ববঙ্গ সত্যি সত্যি বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। তারা এও বুঝতে আরেকটি বড় অভাব তারা চিহ্নিত করেছিল। সেটা ছিল শিক্ষার অভাব। এরপর ১৯০৫ সালে প্রথম যখন বঙ্গভঙ্গ হল তখন ঢাকা একটি প্রাদেশিক রাজধানীর মর্যাদা পেল। তখনই সত্যিকার অর্থে জেগে ওঠে ঢাকা। তখন যে সমস্ত বাঙালি ঢাকার বাইরে ছিল তাদের সৃষ্টি পড়তে শুরু করল ঢাকার দিকে। সেই সময়েই আসলে পূর্ববঙ্গের জাগরণ শুরু হয়। (Translate Bengali to English)
1 Answers 4 Views
কর্ম মুখর পৃথিবীতে মানুষ তার কর্মময় জীবন নিয়ে বেঁচে থাকে। এই কর্মের সোনালি ফসল কিছু সে ভোগ করে , আর কিছু জগতের কল্যানের জন্য নিবেদন করে। এ পৃথিবীতে মানুষের জীবন নশ্বর তাই নশ্বর জীবনে যা কিছু ভোগ করা হয় , জীবন অতিবাহিত হওয়ার পথে তা নিঃশেষিত হয়ে যায়। এ জগতে যারা স্বার্থপর তাদের জীবনে ভোগের পরিমান বেশি। কিন্তু যারা কল্যানকামী , যারা ত্যাগ স্বীকার করে মানবকল্যানের জন্য নিজদের জীবনকে উৎসর্গ করে গিয়েছেন , তাদের মৃত্যুর সাথে সাথে সে জীবন নিঃশেষিত হয়ে যায় না। ব্যাক্তিমানুষের মৃত্যু ঘটে, কিন্তু কীর্তি বেঁচে থাকে। তাই যে ব্যাক্তি জনগনের কল্যানে কিছু করে , মানবজীবনে তা অমর হয়ে রয়ে যায়। বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসে দৃষ্টি নিবন্ধ করলে দেখা যায় , জগতে যারা মানবকল্যানে কিছু দিয়ে গেছেন তারাইওমর হয়ে আছেন। মহাকালের করাল গ্রাসে সবই চলে যায় , কিন্তু বেঁচে থাকে তার সুকীর্তি। সেই মহৎ কীর্তি জগতে অমর হয়ে থাকে। সকৃতজ্ঞ জনগন তার অবর্তমানে তার দানের ভার বহন করে।
1 Answers 16 Views