1 Answers

উদ্দীপকে শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সায়মা হকের মতো উদ্যোক্তাদের ভূমিকা প্রশংসনীয়।

ব্যবসায় উদ্যোক্তারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এরূপ শিল্প উদ্যোগ অনেক কর্মীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে। উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সায়মা হক বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে 'সায়মা ফুড প্রডাক্টস' স্থাপন করেছেন। এতে সায়মা হকের কর্মসংস্থান ও আয়ের পথ তৈরি হয়েছে। একই সাথে তার প্রতিষ্ঠানে ৩০০ লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তারা নিজের ও পরিবারের আর্থিক সমস্যা দূর করতে পারছে। এর মাধ্যমে দেশের বেকার সমস্যা অনেক কমেছে এবং সার্বিকভাবে জাতীয় আয় বেড়েছে।

এছাড়া উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠান স্থাপন করার কারণে স্থানীয় খাদ্য চাহিদা পূরণ হয়েছে। এতে জাতীয় উৎপাদন বাড়ছে। লেখাপড়া শেষ করে অনেকে উৎসাহিত হয়ে আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত হবে। এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করবে। ফলে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন হবে। সুতরাং, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সায়মা হকের মতো নারী উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অপরিসীম।

4 views

Related Questions

অর্থনীতির সব সূচকে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে। রপ্তানি, রেমিট্যান্স, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণসহ সব ক্ষেত্রেই নিন এ উন্নতি হচ্ছে। কৃষি ও খুদে খাতে প্রচুর অর্থায়ন ঘটছে। এর ফলে দেশীয় চাহিদা ও বাজার যেমন বেড়েছে, তেমান সরবরাহ বেড়েছে। দেশের মানুষের ঘুরে দাড়ানোর শক্তি বরাবরই দৃশ্যমান। মাঝে-মধ্যে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা হলেও গত এক ধরে গড়ে ৬.১৪ শতাংশ হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন দেশের অগ্রগতিরই প্রমাণ। অতি দারিদ্র্যের হার কমানোর ক্ষেত্রে আমরা এখন বেশি এগিয়ে। এই হার প্রায় ১২ শতাংশে নেমে এসেছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এটিকে ৭ শতাংশে ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি অর্জনে মাথাপিছু আয় বাড়ানোর বিকল্প নেই। সে জন্য অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে এবং এসডিজি বাস্তবায়নের রোডম্যাপ আমরা তৈরি করেছি, তার আলোকে সবাইকে নিয়ে সম্মিলিত জাতীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। আর ফু হলেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
নারী পুরুষের সম-অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা যেতে পারে। সৃষ্টির দিক দিয়ে, শিক্ষার দিক দিয়ে উভয়ের মাঝে কোন পার্থক্য বা বৈষম্য নেই। সর্বক্ষেত্রে নারী আজ ঈর্ষণীয় সাফল্যের স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছে। কাজেই সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উন্নয়নে নারী সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। নারী আজ তার মেধা ও কর্মদক্ষতার বলে উন্নত, উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় পদে অধিষ্ঠিত। তাই সার্বিক উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় নারীর সম্পৃক্ততা একাত্ত্বই বাঞ্ছনীয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ, কারিগরি শিক্ষা, সম্পদ ও বাজার ব্যবস্থাপনায় নারীর পূর্ণ ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে পারলে উন্নয়ন কর্মকান্ডের গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। অবশ্য বাংলাদেশ সরকার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে নারীর সম্পৃক্ততা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে অনেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। (Translate into English)
1 Answers 8 Views
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) আওতায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধার অবসান, খাদ্যনিরাপত্তা ও উন্নত পুষ্টিমান অর্জনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। একই সঙ্গে টেকসই কৃষির প্রসারের অংশ হিসেবে কৃষিজ উৎপাদনশীলতা এবং ক্ষুদ্র পরিসর খাদ্য উৎপাদকদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্য রয়েছে। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনে সাফল্য লাভের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমতার আওতায় এনে উন্নয়নের স্রোতধারায় যুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে এসডিজি বাস্তবায়নের পথে কাজ করছে। মাঠ পর্যায়ে এসডিজি বাস্তবায়নের গুরুত্ব সম্পর্কে সবাই কমবেশি জানেন। তবে কঠিন শব্দের বেড়াজাল টপকে লক্ষ্যমাত্রার সঠিক অর্থ উপলব্ধি অনেকের কাছে কষ্টসাধ্য। (Translate the following into Bangla)
1 Answers 8 Views
বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় হচ্ছে। বড় হওয়ার পেছনে কাঠামোগতভাবে একসময়ে কৃষির অবদান সবচেয়ে বেশি থাকলেও বর্তমানে সেই চিত্রে পরিবর্তন এসেছে। কৃষির জায়গাটি দখল করে নিয়েছে সেবা ও শিল্প খাত। গত পাঁচ বছরের সরকারি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দেশের অর্থনীতিতে ধারাবাহিকভাবে অবদান বাড়িয়ে চলেছে উৎপাদন শিল্প । অর্থনীতিকে বড় করতে এ খাতই এখন মূখ্য ভূমিকা রাখছে। কৃষিনির্ভর অর্থনীতির কাঠামো বদলাতে শুরু করে আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে। মূলত পোশাক খাতের সংযোগ হিসেবে গড়ে ওঠে অনেক শিল্প। এছাড়া ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পোশাক খাতের পাশাপাশি বেশকিছু ভারী শিল্পেও গড়ে উঠতে থাকে। আর এভাবেই অর্থনৈতিক কাঠামোতে জায়গা করে নিতে শুরু করে উৎপাদন খাত। (Translate into English)
1 Answers 8 Views
করোনার প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। করোনার প্রথম ধাক্কা সামাল দেওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যেই এসেছে আবার দ্বিতীয় ঢেউ। এতেও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের গতি বাধাগস্ত হচ্ছে। করোনার প্রভাব মোকাবিলা করে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যাকে স্বাভাবিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজগুলো জাদুকরি ভূমিকা। পালন করেছে। এতে দেশের উৎপদান খাত ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মাঠ পর্যায়ে টাকার প্রবাহ বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের ক্রনা ক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে। এতে দেশের ভেতরে চাহিদা বজায় ধাকার কারণে অর্থনীতি দ্রুত দুরে দাঁড়াতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। (Translate the following into English)
1 Answers 6 Views