1 Answers

২০১৬ সাল পর্যন্ত জাপানের সংবিধানকে “শান্তির সংবিধান' বলা হত আর এখন বলা হয় না কারণ ২য় বিশ্ব যুদ্ধের ধ্বংস লীলা থেকে শিক্ষা নিয়ে ২০১৬ সালের পূর্বে জাপানের সংবিধানে যুদ্ধ বিষয়ক অনুচ্ছেদে বলা হয় সামরিক বাহিনী শুধুমাত্র আত্মরক্ষা ছাড়া কোনো দেশের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরতে পারতো না, অস্ত্র উৎপাদন ও সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞা ছিলো। তারা ছিল শান্তিপ্রিয় জাতি। তাই তাদের সংবিধানকে 'শান্তি র সংবিধান' বলা হত। কিন্তু ২০১৬ সালে এই বিধানটি রদ করে যোগ করা হয় কোনো দেশ আক্রমণ করলে তারা আত্মরক্ষার্থে যুদ্ধ করতে পারবে। সেজন্য জাপানের সংবিধানকে আর শাস্তির সংবিধান বলা হয় না।

5 views

Related Questions

আধুনিক বিশ্বে শিক্ষাগত পরিবর্তন প্রক্রিয়া নানা কারণে গতিময় গয়ে উঠেছে। যোগযোগ ও আদান প্রদানের নতুন নতুন প্রযুক্তিগত মাধ্যম, আধুনিক পদ্ধতিতত্ত্ব, সর্বাধুনিক শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষা সমাজের প্রতিটি পর্যায়ে দ্রুত পরিবর্তনআনতে সক্ষম হচ্ছে। শিক্ষাহলো একটি সামাজিক প্রকিয়া- যে প্রক্রিয়া – যে প্রক্রিয়া দ্বারা সমাজশক্তির কর্তৃত্ব ব্যক্ত হয়। আমাদের সমাজে িএই শক্তি রাষ্ট্রকেও প্রভাবিত করে। আবার এদেশের শিক্ষার একটি বৃহত্তম অংশ রাষ্্রের নিয়ন্ত্রণাধীন পরিচালিত। তাই সরকার যে শিক্ষানীতি ধার্য করেন সেই নীতি স্বাভাবিকভাবে সমজা ব্যবস্থা রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম হয়। সামাজিক প্রক্রিয়া হিসেবে সমাজ পরিবর্তনে শিক্ষার ভূমিকা স্বীকৃতি আমরা আমেরিকান প্রয়োগবাদী শিক্ষা- দার্শনিক জন ডিউইয়ের আলোচনাতেও লক্ষ করি। তিনি বলেন, শিক্ষা শুধু একটি ভিত্তিহীন প্রক্রিয়া নয়, এটি সামাজিক প্রক্রিয়া। প্রক্রিয়া হলো একটি আদি- অন্তহীন গতি। এই গতি নিরবচ্ছিন্ন পরিবর্তশীল।শিক্ষা কোন কৃত্রিম গতি নয়। এটি মানবজীবনের স্বাভাবিক গতি- প্রক্রিয়া ।এই প্রক্রিয়ার সাহায্যে সামাজিক পটভূমিকায় মানুষ তার জীবনকে পুর্গঠন করে। (Bengali to English)
1 Answers 5 Views
অর্থনীতির সব সূচকে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে। রপ্তানি, রেমিট্যান্স, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণসহ সব ক্ষেত্রেই নিন এ উন্নতি হচ্ছে। কৃষি ও খুদে খাতে প্রচুর অর্থায়ন ঘটছে। এর ফলে দেশীয় চাহিদা ও বাজার যেমন বেড়েছে, তেমান সরবরাহ বেড়েছে। দেশের মানুষের ঘুরে দাড়ানোর শক্তি বরাবরই দৃশ্যমান। মাঝে-মধ্যে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা হলেও গত এক ধরে গড়ে ৬.১৪ শতাংশ হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন দেশের অগ্রগতিরই প্রমাণ। অতি দারিদ্র্যের হার কমানোর ক্ষেত্রে আমরা এখন বেশি এগিয়ে। এই হার প্রায় ১২ শতাংশে নেমে এসেছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এটিকে ৭ শতাংশে ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি অর্জনে মাথাপিছু আয় বাড়ানোর বিকল্প নেই। সে জন্য অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে এবং এসডিজি বাস্তবায়নের রোডম্যাপ আমরা তৈরি করেছি, তার আলোকে সবাইকে নিয়ে সম্মিলিত জাতীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। আর ফু হলেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
আধুনিক সময়ে বিজ্ঞাপন একটি বিশেষ ধরনের কাজে পরিণত হয়েছে। আজকের ব্যবসা-প্রধান বিশ্বে, যোগান চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি। বর্তমানে নিজেদের নির্দিষ্ট পণ্যটির কেনায় ভোক্তাকে প্ররোচিত করার জন্য একই পণ্যের বিভিন্ন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মাঝে ব্যাপক প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যায়। ভোক্তাকে সবসময় তাদের পণ্যের নাম ও গুণগত মান স্মরণ করিয়ে দিতে হয়। তারা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ কাজটি করে থাকে। উৎপাদনকারী পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রদান ও পোষ্টারের মাধ্যমে প্রচারকার্য চালিয়ে থাকে। প্রক্রিয়াজাতকারীরা বিজ্ঞাপন বাবদ প্রচুর অর্থ ব্যয় করে থাকেন। আমরা একটি নির্দিষ্ট পণ্য ক্রয় করে থাকি, কারণ আমরা মনে করি সেটি সেরা। (Bangla to English)
1 Answers 5 Views
করোনার প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। করোনার প্রথম ধাক্কা সামাল দেওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যেই এসেছে আবার দ্বিতীয় ঢেউ। এতেও অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের গতি বাধাগস্ত হচ্ছে। করোনার প্রভাব মোকাবিলা করে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যাকে স্বাভাবিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজগুলো জাদুকরি ভূমিকা। পালন করেছে। এতে দেশের উৎপদান খাত ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মাঠ পর্যায়ে টাকার প্রবাহ বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের ক্রনা ক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে। এতে দেশের ভেতরে চাহিদা বজায় ধাকার কারণে অর্থনীতি দ্রুত দুরে দাঁড়াতে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। (Translate the following into English)
1 Answers 6 Views