1 Answers

ECNEC পূর্ণরূপ হলো Executive Committee of the National Economic Council (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি)। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেক হল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনস্থ একটি নির্বাহী কমিটি যা জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের যাচাই, বিনিয়োগ, অনুমোদন ও অগ্রগতি তথাপি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড তত্ত্বাবধান ও নীতিমালা প্রণয়ন, পর্যালোচনা ও অনুমোদন প্রদান করে। একনেকের বিবেচ্য বিষয়াবলিঃ (১) পাঁচ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে ব্যয়সাপেক্ষ উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ যাচাই ও অনুমোদন; (২) বেসরকারি খাতে ১৫ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে ব্যয়সাপেক্ষ বিনিয়োগ প্রকল্পসমূহ যাচাই ও অনুমোদন; (৩) উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা; (৪) বেসরকারি, যৌথ উদ্যোগ ও বিদেশি অংশগ্রহণে গঠিত কোম্পানিসমূহের বিনিয়োগ প্রস্তাব যাচাই; (৫) অর্থনৈতিক ও সংশ্লিষ্ট নীতিগত ক্ষেত্রে অগ্রগতি পর্যালোচনা ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অগ্রগতি সাধন; (৬) সংবিধিবদ্ধ কর্পোরেশনের অর্থনৈতিক কর্ম সম্পাদন এবং বিশেষতএদের কর্মকান্ডের ফলাফল পর্যালোচনা; (৭) সরকারি প্রতিষ্ঠানের উৎপন্ন পণ্যাদির মূল্য এবং সরকারি সেবা খাতের রেট, ফি ইত্যাদি। ECNEC এর সভাপতি হলেন প্রধানমন্ত্রী । আর প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে এর সভাপতি হলেন অর্থমন্ত্রী ।

5 views

Related Questions

ECNEC কি?
1 Answers 4 Views
শীর্ষ প্রবাসী জায় অর্জনকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অষ্টম হলেও গত বছর প্রবাসী আয়ে কোনো প্রবৃদ্ধি হয়নি বরং অনেক কমেছে। প্রবাসী জায়ের এই অধোগতি অব্যাহত থাকলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দেবে। কারণ অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের অবদান মোট জিডিপির ৬ শতাংশের মতো। প্রবাসী আয় কমে যাও পেশনে মূল কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোতে তেলের দাম কমে যাওয়া। এটাই মূল কারণ হয়ে থাকে, তাহলে প্রবাসী আয়ের লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ওপর আমাদের নির্ভরতা কমাতে হবে। পাশাপাশি আমাদের বিকল্প জনশক্তির বাজার খুঁজতে হবে। প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শ্রমিকদের অদক্ষতাও একটি বড় কারণ। ফলে জনশক্তির নতুন বাজার খুঁজে বের করতে উদ্যোগী হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ যৌ লক্ষ শ্রমিক পাঠানোর দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার দিকটি বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম শ্রমিক গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views
সব ধরনের পেমেন্ট সিস্টেম কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস আইন ২০২১' এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমােদন দিয়েছে মন্ত্রীসভা। এ আইন অনুযায়ী পেমেন্ট তথা পরিশােধ ব্যবস্থা পরিচালনকারী, পরিশােধ ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারী ও পরিশােধ সেবাদানকারীর কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি প্রদান, তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ থাকবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে। কোনাে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের যদি অবসায়ন ঘটে তাহলে দায়দেনা পরিশােধের ক্ষেত্রে আইন গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দেয়ার বিধান রাখা হয়েছে। আইনের মাধ্যমে দেশে কার্যরত সব পরিশােধ ব্যবস্থা পরিচালনাকারী, নিকাশ ও নিস্পত্তিকরণ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি প্রদান, তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ কৰে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে বাংলাদেশে কার্যরত স্টক এক্সচেঞ্জগুলাের কার্যক্রম এ আইনের বাইরে থাকবে। (Translate into English)
1 Answers 10 Views