1 Answers

প্যারালিম্পিক গেমসে পঞ্চইন্দ্রিয়ের যেকোন এক বা একাধিক বিকল ইন্দ্রিয় বা বিকলাঙ্গ, প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদরা এই ক্রীড়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। এটি আংশিক বা সম্পূর্ণ বিকলাঙ্গদের নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক বহু-ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।

এই গেমসটি দুইভাবে অনুষ্ঠিত হয়, গ্রীষ্মকালীন প্যারালিম্পিক গেমস এবং শীতকালীন প্যারালিম্পিক গেমস। ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকের পর থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক প্যারালিম্পিক কমিটির তত্ত্বাবধানে সব ধরনের প্যারালিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়। এই গেমসের অন্যতম উদ্দেশ্য হল বিকলাঙ্গ ক্রীড়াবিদদের ও সুস্থ ও সাবলীল ক্রীড়াবিদদের মধ্যকার ব্যবধান ঘুচে দিয়ে তাদেরকে সুস্থদের মতই আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ক্রীড়া প্রতিযোগীতার সমান সুযোগ প্রদান করা ।

অলিম্পিক গেমসের নীল, হলুদ, কালো, সবুজ এবং লাল রংয়ের পাঁচ চাকতিই প্রতীক। নীল রংয়ের সঙ্গে সংযুক্ত হলুদ, আবার হলুদের সঙ্গে সংযুক্ত কালো। অন্যদিকে লাল রংয়ের সঙ্গে সংযুক্ত সবুজ, আবার সবুজের সঙ্গে সংযুক্ত কালো। নীল রংয়ের মাধ্যমে ইউরোপকে বোঝানো হয়েছে। এশিয়াকে বোঝাচ্ছে হলুদ। কালো, সবুজ এবং লাল রং যথাক্রমে আফ্রিকা, ওশিয়ানিয়া ও আমেরিকা মহাদেশকে বোঝাচ্ছে। অনেকের মতে এর মাধ্যমে বিশ্বজননীতা ও অলিম্পিসম বোঝানোর চেষ্টা করেছেন সৃষ্টিকর্তা। অলিম্পিক চার্টারের রুল আটে পাঁচ মহাদেশ এবং অ্যাথলিটদের সমন্বয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

4 views

Related Questions

প্রত্যেক জাতির বিশেষ কতকগুলো দিন থাকে যার মর্যাদা ও গুরুত্ব অত্যধিক। জাতির অগ্রগতি ও চেতনার পেছনে সেসব কাজ করে। স্বাধীনতা দিবস তেমনি একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। স্বাধীনতা দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। যে জাতি পরাধীন সে জাতির কোন গৌরব নেই। স্বাধীনতা জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলে। তাই জাতির জীবনে স্বাধীনতার সীমাহীন গুরুত্ব রয়েছে। যে দিবসটিতে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল সে দিনকে তাই স্মরণ করে জাতীয় জীবনে তা প্রেরণা অনুভব করা হয়ে থাকে।আমাদের জাতীয় জীবনেও স্বাধীনতা দিবসের অবদান ও অপরিসীম গুরত্ব বিদ্যমান রয়েছে। এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এর জন্য বহু ত্যাগ আমাদের স্বীকার করতে হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে এই দিনই আমাদের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। সেই মহান দিনের কথা স্মরণ করেই প্রতি বছর ছাব্বিশে মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। আমাদের জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবসের সীমাহীন তাৎপর্য অনুসরণ করে থাকি। পরাধীনতা আর শোষণের যাতনা থেকে আমরা এই দিনে মুক্তি পেয়েছিলাম। স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য বাঙালির সংগ্রাম এই দিনে শুরু হয়েছিল। স্বাধীনতা দিবসে তাই আমাদের মর্যাদা নতুন করে উপলব্ধি করার সময়। নিজেদেরও চেনার সুযোগ নিয়ে আসে এই দিনটি।জাতীয় জীবনের কর্তব্য সম্পর্কেও এই দিন সচেতন হওয়া যায়। স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে তার জন্য উপযুক্ত হয়ে আমাদের তৈরি হতে হবে। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা অনেক কঠিন। তাই নিজেদের সুশৃঙ্খল জাতি হিসেবে গড়ে উঠার মাধ্যমে সংগ্রামের সাফল্য নির্ভর করে। সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে গড়ে উঠার জন্য স্বাধীনতা দিবস আমাদের কর্তব্য-সচেতন করে। স্বাধীনতা দিবস আমাদের গৌরবের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়-নতুন করে শপথ নেবার সুযোগ আনে স্বাধীনতা দিবস । (Translate from Bangla to English)
1 Answers 9 Views