1 Answers

প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকা হলো রক্তের এক ধরনের ক্ষুদ্র কণিকা, যা রক্ত জমাট বাঁধতে ও রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে আমাদের সাহায্য করে। স্বাভাবিক মানুষের রক্তে অণুচক্রিকার হার প্রতি ডেসিলিটারে দেড় লাখ থেকে চার লাখ। ডেঙ্গু জ্বর হলে এই অণুচক্রিকার পরিমাণ কমে যায়।

5 views

Related Questions

ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্তের বিনিময়ে এবং কোটি কোটি মানুষের অবর্ণনীয় দুর্দশা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সৃষ্ট আমাদের এই জাতি রাষ্ট্র। রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের অন্যতম বিচার বিভাগ। শক্তিশালী বিচার ব্যবস্থা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভিত্তি। বিচার বিভাগ দুর্বল হলে রাষ্ট্রের ভিত্তিও দুর্বল হয়ে যায়। আর বিচার বিভাগকে শক্তিশালী করার দায়িত্ব বিচার বিভাগীয় প্রত্যেক কর্মচারী ও কর্মকর্তার । তাঁদের সততা ম নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের উপর নির্ভর করে বিচার ব্যবস্থার ভবিষৎ। প্রত্যেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী হবেন আদর্শের প্রতীক । জাতির আশা, কখনই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিবেন না। তাহলেই শহিদদের রক্তের কিছুটা প্রতিদান দেওয়া হবে। (Translate into English)
1 Answers 5 Views
শীর্ষ প্রবাসী জায় অর্জনকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অষ্টম হলেও গত বছর প্রবাসী আয়ে কোনো প্রবৃদ্ধি হয়নি বরং অনেক কমেছে। প্রবাসী জায়ের এই অধোগতি অব্যাহত থাকলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দেবে। কারণ অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের অবদান মোট জিডিপির ৬ শতাংশের মতো। প্রবাসী আয় কমে যাও পেশনে মূল কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোতে তেলের দাম কমে যাওয়া। এটাই মূল কারণ হয়ে থাকে, তাহলে প্রবাসী আয়ের লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ওপর আমাদের নির্ভরতা কমাতে হবে। পাশাপাশি আমাদের বিকল্প জনশক্তির বাজার খুঁজতে হবে। প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শ্রমিকদের অদক্ষতাও একটি বড় কারণ। ফলে জনশক্তির নতুন বাজার খুঁজে বের করতে উদ্যোগী হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ যৌ লক্ষ শ্রমিক পাঠানোর দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার দিকটি বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম শ্রমিক গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views
কর্ম মুখর পৃথিবীতে মানুষ তার কর্মময় জীবন নিয়ে বেঁচে থাকে। এই কর্মের সোনালি ফসল কিছু সে ভোগ করে , আর কিছু জগতের কল্যানের জন্য নিবেদন করে। এ পৃথিবীতে মানুষের জীবন নশ্বর তাই নশ্বর জীবনে যা কিছু ভোগ করা হয় , জীবন অতিবাহিত হওয়ার পথে তা নিঃশেষিত হয়ে যায়। এ জগতে যারা স্বার্থপর তাদের জীবনে ভোগের পরিমান বেশি। কিন্তু যারা কল্যানকামী , যারা ত্যাগ স্বীকার করে মানবকল্যানের জন্য নিজদের জীবনকে উৎসর্গ করে গিয়েছেন , তাদের মৃত্যুর সাথে সাথে সে জীবন নিঃশেষিত হয়ে যায় না। ব্যাক্তিমানুষের মৃত্যু ঘটে, কিন্তু কীর্তি বেঁচে থাকে। তাই যে ব্যাক্তি জনগনের কল্যানে কিছু করে , মানবজীবনে তা অমর হয়ে রয়ে যায়। বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসে দৃষ্টি নিবন্ধ করলে দেখা যায় , জগতে যারা মানবকল্যানে কিছু দিয়ে গেছেন তারাইওমর হয়ে আছেন। মহাকালের করাল গ্রাসে সবই চলে যায় , কিন্তু বেঁচে থাকে তার সুকীর্তি। সেই মহৎ কীর্তি জগতে অমর হয়ে থাকে। সকৃতজ্ঞ জনগন তার অবর্তমানে তার দানের ভার বহন করে।
1 Answers 16 Views