1 Answers

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সালে টিকাদান কর্মসূচিতে বাংলাদেশের সফলতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো' পুরস্কার দিয়েছে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন এবং ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই)।

5 views

Related Questions

প্রত্যেক জাতির বিশেষ কতকগুলো দিন থাকে যার মর্যাদা ও গুরুত্ব অত্যধিক। জাতির অগ্রগতি ও চেতনার পেছনে সেসব কাজ করে। স্বাধীনতা দিবস তেমনি একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। স্বাধীনতা দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। যে জাতি পরাধীন সে জাতির কোন গৌরব নেই। স্বাধীনতা জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলে। তাই জাতির জীবনে স্বাধীনতার সীমাহীন গুরুত্ব রয়েছে। যে দিবসটিতে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল সে দিনকে তাই স্মরণ করে জাতীয় জীবনে তা প্রেরণা অনুভব করা হয়ে থাকে।আমাদের জাতীয় জীবনেও স্বাধীনতা দিবসের অবদান ও অপরিসীম গুরত্ব বিদ্যমান রয়েছে। এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এর জন্য বহু ত্যাগ আমাদের স্বীকার করতে হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে এই দিনই আমাদের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। সেই মহান দিনের কথা স্মরণ করেই প্রতি বছর ছাব্বিশে মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। আমাদের জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবসের সীমাহীন তাৎপর্য অনুসরণ করে থাকি। পরাধীনতা আর শোষণের যাতনা থেকে আমরা এই দিনে মুক্তি পেয়েছিলাম। স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য বাঙালির সংগ্রাম এই দিনে শুরু হয়েছিল। স্বাধীনতা দিবসে তাই আমাদের মর্যাদা নতুন করে উপলব্ধি করার সময়। নিজেদেরও চেনার সুযোগ নিয়ে আসে এই দিনটি।জাতীয় জীবনের কর্তব্য সম্পর্কেও এই দিন সচেতন হওয়া যায়। স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে তার জন্য উপযুক্ত হয়ে আমাদের তৈরি হতে হবে। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা অনেক কঠিন। তাই নিজেদের সুশৃঙ্খল জাতি হিসেবে গড়ে উঠার মাধ্যমে সংগ্রামের সাফল্য নির্ভর করে। সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে গড়ে উঠার জন্য স্বাধীনতা দিবস আমাদের কর্তব্য-সচেতন করে। স্বাধীনতা দিবস আমাদের গৌরবের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়-নতুন করে শপথ নেবার সুযোগ আনে স্বাধীনতা দিবস । (Translate from Bangla to English)
1 Answers 9 Views
Translation: প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা উড়ে 'অচিন পাখি' (নতুন ড্রিমলাইনার) ২৪ ডিসেম্বর রাত ৮টা ১৯ মিনিটে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্ত H জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। ঢাকায় অবতরণের পর বিমানবন্দরে 'অচিন পাখিকে' ওয়াটার গান স্যালুট জানানো হয়। অত্যাধুনিক এই উড়োজাহাজটিতে মোট ২৯৮টি আসন রয়েছে যার মধ্যে ৩০টি বিজনেস ক্লাস, ২১টি প্রিমিয়াম ইকোনোমিক শ্রেণী ও ২৪৭ টি ইকোনোমি শ্রেণীর আসন। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে বিমান বহরে বোয়িং ৭৮৭-৮ সিরিজের চতুর্থ ট্রিমলাইনার 'রাজহংস' উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐ বছরেই ৭৮৭-৯ সিরিজের নতুন দুটি ড্রিমলাইনার কেনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনিই এ দুটি উড়োজাহাজের নাম দেন 'সোনার তরী' ও 'অচিন পাখি'। এর মধ্যে 'সোনার তরী' দেশে পৌছায় গত ২১ ডিসেম্বর বিকেলে। আর দ্বিতীয় ড্রিমলাইনার বিমানটি বুঝে পেল ২৪ ডিসেম্বর। বিমানের বহরে এখন দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনারসহ মোট ১৮টি উড়োজাহাজ আছে। ২৯৮ আসনের ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার একবার জ্বালানি নিয়ে ১৩ হাজার ৯৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারবে। পুরনো উড়োজাহাজগুলোর তুলনায় এই ড্রিমলাইনারের জ্বালানি খরচ ও কার্বন নিঃসরণ ২৫ শতাংশ কম হবে। (Bangla to English)
1 Answers 4 Views