1 Answers

প্রথমে ১০ থাকায় ধরি মোট খেলনার সংখ্যা ১০x টি

∴ ১ম শিশুর নিকট খেলনা আছে  = x = x টি

∴ ২য় শিশুর নিয়কট খেলনা আছে = (x + ১২)টি

∴  ৩য় শিশুর নিকট খেলনা আছে = (x + ১)টি

∴ ৪র্থ শিশুর নিকট খেলনা আছে = ২(x + ১) = (২ x + ২)টি

প্রশ্নমতে, x + x +  + x +  + x +  = x

 x +  = x x =   x =  = 

অতএব, মোট খেলনার পরিমাণ =  ×  =  টি (উত্তর)

9 views

Related Questions

দেশের অর্থনীতিভাবে গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পোশাক শিল্প। যেখানে প্রায় ৪৫ লাখ শ্রমিক কর্মরত । এ সকলে শ্রমিকদের ব্যাংকিং সেবার প্রয়োজন থাকা সত্বেও ৮০ থেকে ৯০ ভাগের কোন ব্যাংক হিসাব না থাকায় তারা সব ধেরনের ব্যাংকিং সেবা থেকে বঞ্চিত বেতন তুলতে হয়, গ্রামাঞ্চলে বাবা মা এবং ভাই-বোনের কাছ টাকা পাঠাতে হয়। শ্রমজীব এ বিপুল জনগোষ্ঠীয় কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌছানোর ক্ষেত্রে দেশের প্রথাগত ব্যাংকিংয়ের চেয়ে উপর্জনকারী দূরে গেলেও বো অধিকতর উপযোগী প্রমাণিত হয়েছে। এই সেবা চালু হওয়ার পর থেকে সংসারের একমতা্র উপর্জনকারী দূরে গেলেও অনেকটাই নিশ্চিত থাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে তুলনামূলক কম খরচে গ্রাহকসেবা পাওয়া সম্বব। এই সেবা মানুষখে সঞ্চয় অভ্যাস গড়ে তুলতেও সহযোগিতা করে বলে সম্প্রতি আইএফসির এক গবেষণা জানা যায়। সুতরায় মানুষের কাছে মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম যত দ্রুততার সঙ্গে সম্প্রসারিত হবে তাদের আর্থিক সেবা ততই সহললভ্য হবে। (Translate in to English)
1 Answers 5 Views
কর্ম মুখর পৃথিবীতে মানুষ তার কর্মময় জীবন নিয়ে বেঁচে থাকে। এই কর্মের সোনালি ফসল কিছু সে ভোগ করে , আর কিছু জগতের কল্যানের জন্য নিবেদন করে। এ পৃথিবীতে মানুষের জীবন নশ্বর তাই নশ্বর জীবনে যা কিছু ভোগ করা হয় , জীবন অতিবাহিত হওয়ার পথে তা নিঃশেষিত হয়ে যায়। এ জগতে যারা স্বার্থপর তাদের জীবনে ভোগের পরিমান বেশি। কিন্তু যারা কল্যানকামী , যারা ত্যাগ স্বীকার করে মানবকল্যানের জন্য নিজদের জীবনকে উৎসর্গ করে গিয়েছেন , তাদের মৃত্যুর সাথে সাথে সে জীবন নিঃশেষিত হয়ে যায় না। ব্যাক্তিমানুষের মৃত্যু ঘটে, কিন্তু কীর্তি বেঁচে থাকে। তাই যে ব্যাক্তি জনগনের কল্যানে কিছু করে , মানবজীবনে তা অমর হয়ে রয়ে যায়। বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসে দৃষ্টি নিবন্ধ করলে দেখা যায় , জগতে যারা মানবকল্যানে কিছু দিয়ে গেছেন তারাইওমর হয়ে আছেন। মহাকালের করাল গ্রাসে সবই চলে যায় , কিন্তু বেঁচে থাকে তার সুকীর্তি। সেই মহৎ কীর্তি জগতে অমর হয়ে থাকে। সকৃতজ্ঞ জনগন তার অবর্তমানে তার দানের ভার বহন করে।
1 Answers 16 Views
দীর্ঘ দিন ধরে নিন্মমুখী প্রবনতা লক্ষ্য করা গেলেও , প্রবাসী আয় আবার বারতে শুরু করেছে । গত নভেম্বর মাসে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১২১ কোটি ৪৭ লক্ষ ডলার, যা আগের মাস অক্টোবরের চেয়ে ৪.৪৭ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় গত মাসে ২৬ কোটি ৩৩ লাখ বেশি প্রবাসী আয় এসেছে যা প্রায় ২৭.৬৭ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী , সব মিলিয়ে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসের আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে ১০.৭৬ শতাংশ । এই পাঁচ মাসে দেশে ৫৭৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। টাকার বিপরীতে ডলার তেজি হওয়া, হুন্ডি বন্ধ করা এবং বিকাশের বেশ কিছু এজেন্ট ও হিসাব বন্ধ করে দেওয়ায় প্রবাসী আয় বাড়তে শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে আরও দেখা যায়, নভেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় খাতের ছয় বানিজ্য ব্যাংকের মাধ্যমে ২৬ কোটি ৯৬ লাখ মার্কিন ডলার এবং বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৯২ কোটি ১ লাখ ডলার দেশে এসেছে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views
করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ব্লুমবার্গের কোভিন্ন সহনশীলতা সূচকে চলতি মাসে পাঁচ ধাপ এগিয়ে বিশ্বের ৫০টি দেশের মধ্যে ৩৯ তম অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। গত আগস্টে ব্লুমবার্গের এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪৪ তম কোভির ১৯ নিয়ন্ত্র স্বাস্থ্যসেবার মান, টিকাদান, সামগ্রিক মৃত্যুহার ও গত মাসে ভ্রমণ পুনরায় শুরু এবং সীমান্ত বিধি-নিষেধ শিথিলসহ মোট ১২ টি তথ্য সূচকের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের বৃহত্তম ৫৩ অর্থনীতির দেশকে নিয়ে এই সূচক তৈরি করেছে ব্লুমবার্গ সূচক অনুযায়ী, করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় মোট ১০০ স্কোরের মধ্যে বাংলাদেশ পেয়েছে ৫৯ দশমিক ৬। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
Translation: প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা উড়ে 'অচিন পাখি' (নতুন ড্রিমলাইনার) ২৪ ডিসেম্বর রাত ৮টা ১৯ মিনিটে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্ত H জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। ঢাকায় অবতরণের পর বিমানবন্দরে 'অচিন পাখিকে' ওয়াটার গান স্যালুট জানানো হয়। অত্যাধুনিক এই উড়োজাহাজটিতে মোট ২৯৮টি আসন রয়েছে যার মধ্যে ৩০টি বিজনেস ক্লাস, ২১টি প্রিমিয়াম ইকোনোমিক শ্রেণী ও ২৪৭ টি ইকোনোমি শ্রেণীর আসন। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে বিমান বহরে বোয়িং ৭৮৭-৮ সিরিজের চতুর্থ ট্রিমলাইনার 'রাজহংস' উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐ বছরেই ৭৮৭-৯ সিরিজের নতুন দুটি ড্রিমলাইনার কেনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনিই এ দুটি উড়োজাহাজের নাম দেন 'সোনার তরী' ও 'অচিন পাখি'। এর মধ্যে 'সোনার তরী' দেশে পৌছায় গত ২১ ডিসেম্বর বিকেলে। আর দ্বিতীয় ড্রিমলাইনার বিমানটি বুঝে পেল ২৪ ডিসেম্বর। বিমানের বহরে এখন দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনারসহ মোট ১৮টি উড়োজাহাজ আছে। ২৯৮ আসনের ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার একবার জ্বালানি নিয়ে ১৩ হাজার ৯৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারবে। পুরনো উড়োজাহাজগুলোর তুলনায় এই ড্রিমলাইনারের জ্বালানি খরচ ও কার্বন নিঃসরণ ২৫ শতাংশ কম হবে। (Bangla to English)
1 Answers 4 Views