1 Answers

দুর্জন বিদ্বান হলেও পরিত্যাজ্য

বিদ্বান ব্যক্তি সর্বত্র সম্মানিত। কিন্তু দুর্জন অর্থাৎ খারাপ প্রকৃতির লোক বিদ্বান হলেও সে সমাজের দুশমন। সকলেই তাকে ঘৃণা করে । বিদ্যার মত মূল্যবান সম্পদ আর নেই। বিদ্বান ব্যক্তিকে সকলেই সম্মান করে। বিদ্বানের সংস্পর্শে এলে জ্ঞানের আলোয় মন আলোকিত হয়; এতে চরিত্র গঠনের সুযোগ ঘটে। বিদ্যার আলোতে মানুষের জীবনের অজ্ঞানতার অন্ধকার দূর হয়। বিদ্যা মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে মূখ্য ভূমিকা পালন করে। বিদ্বানের ভূমিকায় সমাজ ও দেশ সমৃদ্ধির আলোয় আলোকিত হয়। বিদ্যার সম্মোহনী শক্তি যেমন ব্যক্তি জীবন থেকে দূর করে সংকীর্ণতা ও কলুষতার অন্ধকার, তেমনি তা সমাজকেও করে প্রগতির আলোয় আলোকিত। কিন্তু বিদ্বান ব্যক্তি যদি দুর্জন অর্থাৎ খারাপ প্রকৃতির হয়, তবে তার অর্জিত বিদ্যার কোন মূল্য থাকে না। সমাজ, দেশ বা জাতি কেউ এদের দ্বারা উপকৃত হয় না। সকলেই তাকে ঘৃণা করে। দুর্জন ব্যক্তি সাপের সাথে তুলনীয়। তার অর্জিত বিদ্যার তুলনা করা চলে সাপের মাথার মণির সাথে। মানুষ সাপকে ভয় করে। কাছে গেলেই জীবননাশ সুনিশ্চিত। প্রাণনাশের ভয়ে কেউ সাপের মাথার মূল্যবান মণি আনতে সাহস পায় না। বিদ্বান ব্যক্তি  যদি খারাপ প্রকৃতির হয় তবে সেও সাপের মত ভয়াবহ। তার কাছ থেকে বিদ্যা লাভের প্রত্যাশা থেকে জীবননাশ তথা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সমাজে দুর্জনের স্থান নেই। সে বিদ্বান হলেও সর্বত্র ঘৃণিত ও পরিত্যাজ্য।

12 views

Related Questions

সংগ্রাম মানজীভনের বিভিন্ন ধাপে নানা ধরনের বাধা বিপত্তি আসে। তবে মানুষের জীবনে দুর্দিন দুঃসময় চিরস্থায়ী নয়। এগুলো অবসান হবেই।অন্ধকারের পরেই আলোর অবস্থান। যেমন মানুষ সুখের আকাঙ্ক্ষী । সুখ তার কাম্য , দুঃখ তার পরিত্যাজ্য। দুঃখকে সে ভয়করে । সামনে বিপদের ছায়া ঘনীভূত হয়ে উঠলে সে মুহ্যমান হয়ে পড়ে। কিন্তু অবিমিশ্র সুখ কখনও পাওয়া যায় না। সুখের সঙ্গে দুঃখের সঙ্গ সুখ উভয়ে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। তাছাড়া দুঃখের অমারাত্রি পার হয়েই আসে আনন্দঘন প্রভাত। সুতরাং দুঃখের ভয়ে ভীত হওয়া উচিৎ নয়। দুঃখের অগ্নিপরীক্ষার ভিতর দিয়েই মানুষের চিত্ত শুচিশুভ্র হয়ে উঠে, মানুষ লাভ করে নতুনতম মহিমান্বিত জীবন। সুতরাং দুঃখের পথ বেয়ে আসে সুখ ও শান্তি । মেঘ যতই গভীর ও ঘন বিপদে ভেঙ্গে পড়লে চলবেনা বলিষ্ঠ আত্মবিশ্বাসে তার মোকাবিলা করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 5 Views