1 Answers
গতিই জীবন, স্থিতিতে মৃত্যু
জীবন বহমান। নিশ্চলতায় এর সমাপ্তি। জীবনকে স্থির করলেই মৃত্যু ঘটে প্রাণের। শরীরের অবসান না হলেও পার্থিব জীবনে তার বেঁচে থাকার মধ্যে কোনো সার্থকতা পাওয়া যায় না। কাজেই বহমান জীবনের চাঞ্চল্য নিরন্তর।
কর্মে বৈচিত্র থাকলে জীবন হয়ে উঠে মহিমান্বিত্ব। আর এই মহিমান্বিত্ব জীবন কখনো স্থির হয় না। কর্মেই সে প্রেরণা খুঁজে পায় । অপরের উপকারে নিজের জীবনকে সর্বদা নিয়োজিত রাখলে তা কেবল গতিশীলই হবে স্থিরতা তাকে খুঁজে পাবে না। নিশ্চল জীবনে নেই কোন আশা, পরিবর্তন, স্বপ্ন ও সুখ। পরিবর্তনে ও নতুনত্বেই তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। নিশ্চল জীবন তো মরণের শামিল। জীবনে ভালো কোনো কাজের শেষ নেই, অর্থাৎ কর্মের সমাপ্তি নেই। জীবনকে থামিয়ে। দিলে কর্মেরও সমাপ্তি ঘটে। আর কর্মের সমাপ্তির মাধ্যমেই জীবনাবসান ঘটে। কর্মের সমাপ্তি হলো কিন্তু জীবনাবসান ঘটলে না তাহলে সেই জীবনে স্থিরতা চলে আসে যা মৃত্যুরই নামান্তর । কাজেই নশ্বর এই পৃথিবীতে অবিনশ্বর কিছু করে যেতে হলে অবশ্যই জীবনকে গতিশীল রাখতে হবে, কর্মে থাকতে হবে ক্লান্তিহীন। জীবনকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে হলে সবচেয়ে বেশি যে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস সেটা হলো স্বপ্ন। আর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের অনুপ্রেরণাই জীবনকে গতিশীল করে তুলবে ।
প্রাণের স্পন্দন প্রাণে না থাকলে জীবন হয়ে উঠে দুর্বিষহ। তাই এই দুর্বিষহ জীবনকে বয়ে বেড়ানোর কোনোই অর্থ হয় না। বরং জীবনকে অর্থবহ করে স্বপ্ন ও সফলতাকে ছাড়িয়ে যাওয়াই ব্রত হওয়া উচিৎ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy