1 Answers

শহরটির বর্তমান জনসংখ্যা p = ৮০,০০,০০০

জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার =  × %

সময় n = ৩ বছর।

এখানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে চক্রবৃদ্ধি মূলধনের সূত্রঃ c = p(1 + r)n

= ,, ×  +  = ,, ×  = ,, ×  × × =  ×  ×  × 

= ৮৭,৪১,৮১৬ (উত্তর)

42 views

Related Questions

তরুণ বিশ্বশক্তির অধিকারী, অনন্ত সম্ভাবনাপূর্ণ তার জীবন । সে যদি শুধু ঘরের কোনে বসে। পূর্ব পুরুষের লিখিত পুঁথি ঘেঁটে তার অমূল্য মানবজীবনকে সার্থক করতে চায় এবং মনে করে, বর্তমানের সবকিছু অতীতে সৃষ্ট হয়েছিল , তাহলে সে যে শুধু তার অনন্ত শক্তিকে অপব্যয় করে তা নয়, তার সেই শক্তিকেও অবমাননা করে । অতীত সৃষ্টির জন্মদাতা অতীতের ঘটনা ও অতীতের পরিবেষ্টন। বর্তমান ঘটনা ও বর্তমান পরিবেষ্টন চিরকালই নতুন। বর্তমান অতীতের কুঁড়ি বৈ আর কিছু নয়। বর্তমানের আপন শক্তিতে সেই কুঁড়ি ফুটে নব পুষ্পে পরিণত হয়। সুতরাং তার ফলও নতুন হওয়া চাই। কিন্তু দুঃখের বিষয়, মানব-মন অতীতের মােহ ছাড়তে পারে না। সে এই বর্তমানের পরিবর্তিত নব পরিবেষ্টনেও সেই অতীতের ইতিহাসকে হুবহু বজায় রাখতে চায়-বর্তমানের নব প্রসব-বেদনাকে উপেক্ষা করে। তাই মানব ইতিহাসের স্তরে স্তরে দেখতে পাই কত দ্বন্দ্ব, কত সংঘর্ষ, কত বিগ্রহ-বিপ্লব, কত রক্ত-বন্যা। এর মূল কারণ হচ্ছে অতীতের সৃষ্টিকে অক্ষুন্ন রাখার জন্য মানব-মনের স্বাভাবিক দুর্জয়। চিরকালই তরুন ৭ প্রকৃতির বিরুদ্ধে অভিযান করেছে। বর্তমান বেদনায় অনুভূতির চঞ্চল হয়ে ভবিষ্যতে আদশ সার্থক করার জন্য। (সারাংশ লিখুন)
1 Answers 9 Views
শীর্ষ প্রবাসী জায় অর্জনকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অষ্টম হলেও গত বছর প্রবাসী আয়ে কোনো প্রবৃদ্ধি হয়নি বরং অনেক কমেছে। প্রবাসী জায়ের এই অধোগতি অব্যাহত থাকলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দেবে। কারণ অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের অবদান মোট জিডিপির ৬ শতাংশের মতো। প্রবাসী আয় কমে যাও পেশনে মূল কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোতে তেলের দাম কমে যাওয়া। এটাই মূল কারণ হয়ে থাকে, তাহলে প্রবাসী আয়ের লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ওপর আমাদের নির্ভরতা কমাতে হবে। পাশাপাশি আমাদের বিকল্প জনশক্তির বাজার খুঁজতে হবে। প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শ্রমিকদের অদক্ষতাও একটি বড় কারণ। ফলে জনশক্তির নতুন বাজার খুঁজে বের করতে উদ্যোগী হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ যৌ লক্ষ শ্রমিক পাঠানোর দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার দিকটি বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম শ্রমিক গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views
অর্থনীতির সব সূচকে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে। রপ্তানি, রেমিট্যান্স, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণসহ সব ক্ষেত্রেই নিন এ উন্নতি হচ্ছে। কৃষি ও খুদে খাতে প্রচুর অর্থায়ন ঘটছে। এর ফলে দেশীয় চাহিদা ও বাজার যেমন বেড়েছে, তেমান সরবরাহ বেড়েছে। দেশের মানুষের ঘুরে দাড়ানোর শক্তি বরাবরই দৃশ্যমান। মাঝে-মধ্যে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা হলেও গত এক ধরে গড়ে ৬.১৪ শতাংশ হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন দেশের অগ্রগতিরই প্রমাণ। অতি দারিদ্র্যের হার কমানোর ক্ষেত্রে আমরা এখন বেশি এগিয়ে। এই হার প্রায় ১২ শতাংশে নেমে এসেছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এটিকে ৭ শতাংশে ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি অর্জনে মাথাপিছু আয় বাড়ানোর বিকল্প নেই। সে জন্য অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে এবং এসডিজি বাস্তবায়নের রোডম্যাপ আমরা তৈরি করেছি, তার আলোকে সবাইকে নিয়ে সম্মিলিত জাতীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। আর ফু হলেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। (Translate into English)
1 Answers 6 Views