1 Answers

পানির অপর নাম জীবন ।

= Another name of water is life.

7 views

Related Questions

মানুষের জীবন কতকগুলো ঘটনার সংকলণ। তবে ঘটনাই স্মরণীয় হয় না। যে ঘটনা স্মৃতির পাতায় সোনার অক্ষরে লখা হয়ে যায় তা-ই স্মরণীয়। বাংলাদেশের মানুষের সবচেয়ে গৌরবময় ও স্মরণীয় ঘটারা এ দেশের মুক্তিযুদ্ধ । এই যুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা লাভ করেছি স্বাধীন দেশ, নিজস্ব পতাকা। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ বাংলা ছাত্র- যুবকম কৃষক- শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণ বর্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। তারই পরিণতিতে ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর জাতি অর্জন করে চূড়ান্ত বিজয়। বিশ্বের মানচিদ্রে দেদীপমান হয় একটি রাষ্ট্র, যার নাম স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। এই জাদুঘরের তরুণ প্রজনেম্নর কাছে পৌছে দিচ্ছে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস। মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ ও ইতিহাসকে ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে জাদুঘরের গ্যালিরিগুলো। প্রতিটি গ্যালারি সুনিদির্ষ্টভাবে ধারণ করছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবাহী নানান স্মারক। মুক্তিযুদ্লে জাদুগরের কার্যক্রেমের অংশ হিসেবে একটি গাড়িকে ভ্রাম্যমাণ জাদুঘরের রূপ দেয়া হয়েছে। এভাবেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে অমর হয়ে থাকবে এ- দেশের মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথা। (Translate to English)
1 Answers 12 Views
মানুষের জীবনপ্রবাহ গতিশীল ও পরিবর্তনশীল। মানবসমাজে নিরবচ্ছিন্ন সুখ বা নিরবচ্ছিন্ন দুঃখ বিরাজোমান নয় । অথচ মানুষ যখন সুখসাগরে অবগাহন করে অকস্মাৎ দুঃখ এস হানা দেয়, মানুষ অসহায় ও হতাশ হয়ে পড়ে। কিন্তু জীভনের এই ছন্দপতন সহজভাবে মেনে নিতে অভ্যস্ত হলে আরো সহজ এবং সুন্দর হয়ে উঠবে মানুষের জীবন। জীবন সত্যের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে অনায়াসে । মন্দ কিংবা ভালো যাই হোক না কেন সত্যকে জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য হওয়া উচিত । ত েসত্যকে রক্ষা করার জন্যে মানসিক দৃঢ়তা প্রয়োজন । দৃঢ় মনোবলের মধ্যে দিয়ে, আদর্শ ও নীতি অক্ষুন্ন রেখে নিখাদ সৎ হয়ে উঠতে পারলেই প্রকৃত গন্তব্যে পৌছানো সম্ভব । ক্নিতু সত্য প্রতিষ্ঠা এবং প্রকৃত গন্তব্য উপনীত হওয়ার সংগ্রাম খুবই কঠিন। যেসব মনীসী পৃথিবী অমর হয়েছেন। তাঁরা নিষ্ঠূর নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েও সত্যকে বর্জন বা ত্যাগ করেন নি, বরং আরো আঁকড়ড়ে ধরেছেন। ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সা) এর শ্রেষ্ঠতম উদাহরণ। (Bangla to English)
1 Answers 12 Views
কর্ম মুখর পৃথিবীতে মানুষ তার কর্মময় জীবন নিয়ে বেঁচে থাকে। এই কর্মের সোনালি ফসল কিছু সে ভোগ করে , আর কিছু জগতের কল্যানের জন্য নিবেদন করে। এ পৃথিবীতে মানুষের জীবন নশ্বর তাই নশ্বর জীবনে যা কিছু ভোগ করা হয় , জীবন অতিবাহিত হওয়ার পথে তা নিঃশেষিত হয়ে যায়। এ জগতে যারা স্বার্থপর তাদের জীবনে ভোগের পরিমান বেশি। কিন্তু যারা কল্যানকামী , যারা ত্যাগ স্বীকার করে মানবকল্যানের জন্য নিজদের জীবনকে উৎসর্গ করে গিয়েছেন , তাদের মৃত্যুর সাথে সাথে সে জীবন নিঃশেষিত হয়ে যায় না। ব্যাক্তিমানুষের মৃত্যু ঘটে, কিন্তু কীর্তি বেঁচে থাকে। তাই যে ব্যাক্তি জনগনের কল্যানে কিছু করে , মানবজীবনে তা অমর হয়ে রয়ে যায়। বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসে দৃষ্টি নিবন্ধ করলে দেখা যায় , জগতে যারা মানবকল্যানে কিছু দিয়ে গেছেন তারাইওমর হয়ে আছেন। মহাকালের করাল গ্রাসে সবই চলে যায় , কিন্তু বেঁচে থাকে তার সুকীর্তি। সেই মহৎ কীর্তি জগতে অমর হয়ে থাকে। সকৃতজ্ঞ জনগন তার অবর্তমানে তার দানের ভার বহন করে।
1 Answers 16 Views
সংগ্রাম মানজীভনের বিভিন্ন ধাপে নানা ধরনের বাধা বিপত্তি আসে। তবে মানুষের জীবনে দুর্দিন দুঃসময় চিরস্থায়ী নয়। এগুলো অবসান হবেই।অন্ধকারের পরেই আলোর অবস্থান। যেমন মানুষ সুখের আকাঙ্ক্ষী । সুখ তার কাম্য , দুঃখ তার পরিত্যাজ্য। দুঃখকে সে ভয়করে । সামনে বিপদের ছায়া ঘনীভূত হয়ে উঠলে সে মুহ্যমান হয়ে পড়ে। কিন্তু অবিমিশ্র সুখ কখনও পাওয়া যায় না। সুখের সঙ্গে দুঃখের সঙ্গ সুখ উভয়ে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। তাছাড়া দুঃখের অমারাত্রি পার হয়েই আসে আনন্দঘন প্রভাত। সুতরাং দুঃখের ভয়ে ভীত হওয়া উচিৎ নয়। দুঃখের অগ্নিপরীক্ষার ভিতর দিয়েই মানুষের চিত্ত শুচিশুভ্র হয়ে উঠে, মানুষ লাভ করে নতুনতম মহিমান্বিত জীবন। সুতরাং দুঃখের পথ বেয়ে আসে সুখ ও শান্তি । মেঘ যতই গভীর ও ঘন বিপদে ভেঙ্গে পড়লে চলবেনা বলিষ্ঠ আত্মবিশ্বাসে তার মোকাবিলা করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 5 Views
Translate the following passage into English:বাংলা ও বাঙালি সংস্কৃতির উৎসে যদি আমরা যাই তাহলে দেখবো, বাংলা ভাষা প্রায় হাজার বছরের প্রাচীন। কিন্তু, জাতিসত্তা হিসেবে বাঙালির বয়স কয়েক হাজার বছর। এখানে বিভিন্ন জাতি-উপজাতি আগমনের ফলে, ও জাতির মিশ্রণে বাঙালি একটি মিশ্র জাতিসত্তা হিসেবে বিকশিত হয়েছে। ককেশীয়, ভোটচিন, অস্ট্রিক, নানা বর্ণ নিগ্রোয়েড ইত্যাদি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মিশ্রণেই বাঙালি জাতিসত্তা গড়ে উঠেছে এই ভূখণ্ডে। উভয় বঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই মানব বসতির প্রমাণ ও উপকরণ আবিষ্কৃত হয়েছে। এসবের বিশদ আলোচনায় না গিয়েও বলা চলে যে যখন ইতিহাসের যবনিকা উন্মোচিত হলো সে সময়ও বিভিন্ন উপজাতি গোষ্ঠীর নামানুসারে বাংলায় বেশ কিছু জনপদের পরিচয় আমরা প্রাচীন আর্য গ্রন্থসমূহ, যেমন রামায়ণ, মহাভারত ও অন্যান্য আদিগ্রন্থ, যেমন কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে পাচ্ছি। পুণ্ড্র, বঙ্গ, কলিঙ্গ, গৌড়, হরিকেল ইত্যাদি নাম যেমন জনপদের, তেমনি বিভিন্ন কৌম বা উপজাতির। আজ এসব কৌমের আলাদা পরিচয় আর নেই। এরা সবাই এক হয়ে মিশে গিয়ে বাঙালি নাম নিয়েছে, বাঙালি হিসেবে পরিচিত হচ্ছে। বাংলা এদের সবার মুখের ভাষা ।
1 Answers 5 Views