2 Answers
ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে সিগনাল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা যখন ফোনে কথা বলি তখন যদি কোনাে কথা হারিয়ে যায় তাহলে কথার মাঝে কিছু শুনতে পাই না। তখন আমরা বলে থাকি, নেটওয়ার্ক পাচ্ছে না বা সিগনাল পাচ্ছে না। এই সিগনাল যদি দু-এক সেকেন্ডের জন্য বন্ধ থাকে তাহলে আমরা হারানাে কথাকে বুঝতে পারি। কিন্তু কম্পিউটার কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে এ রকম ছােটখাটো সিগনাল হারিয়ে যাওয়া অনেক অসুবিধার সৃষ্টি করতে পারে।
ব্যান্ড উইডথ
একক সময়ে পরিবাহিত ডেটার পরিমাণই হচ্ছে ব্যান্ড উইডথ। অর্থাৎ, একটি মাধ্যমের মধ্যে দিয়ে উৎস পয়েন্ট থেকে গন্তব্যের দিকে যে পরিমাণ ডেটা একক সময়ে পরিবাহিত হতে পারে তাকে বলা হয় ব্যান্ড উইডথ। একে মাপা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি বিট পরিবাহিত হচ্ছে তা দিয়ে অর্থাৎ বিপিএস (bps)। কোনাে কোনাে মাধ্যমের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড উইডথকে বাইট/সে. (Bps) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যদি কমিউনিকেশন মাধ্যম হিসেবে কোনাে ক্যাবলের মধ্যে দিয়ে সেকেন্ডে ১০ মেগাবিট ডেটা পরিবাহিত হতে পারে তাহলে তার ব্যান্ড উইডথ হলাে ১০ মেগাবিট/সে, বা ১০ এমবিবিএস (Mbps)। মিডিয়ার ব্যান্ড উইডথ যত বেশি হবে, ডেটা তত দ্রুত একস্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারবে। যদি কোনাে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বা ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে নির্দিষ্ট কোনাে ব্যান্ড উইডথ প্রয়ােজন হয় তাহলে সে অনুযায়ী মিডিয়া নির্বাচন করতে হবে। ব্যান্ডউইডথকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড়ও বলা হয়। ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথাঃ
- ন্যারাে ব্যান্ড
- ভয়েস ব্যান্ড
- ব্রড ব্যান্ড
দ্রষ্টব্যঃ
1 বাইট=8 বিট (Bit)
1 কিলােবাইট (1KB)=1024 বাইট (Byte)
1 মেগাবাইট (1MB)=1024 কিলােবাইট (KB)
1 গেগাবাইট (1GB)=1024 মেগাবাইট (MB)
1 টেরাবাইট (1TB)=1024 গেগাবাইট (GB)