ভিডিও কলে ডাক্তারের পরামর্শ পেতে Play Store থেকে ডাউনলোড করুন Bissoy অ্যাপ

খাদ্যাভ্যাসের কিছু পরিবর্তন ও পর্যাপ্ত পানি পান করা কিডনি পাথর প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিডনির পাথর বের করলেও আবার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই যাঁদের একবার পাথর হয়েছে, তাঁদের জন্য কিছু পরামর্শ মেনে চলতে হবে।

* সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ হলো পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে যাতে শরীর শুষ্ক না থাকে। কতটুকু পানি আপনার জন্য পর্যাপ্ত, তা নির্ভর করে আপনার কাজের ধরন, অবস্থান ও জলবায়ুর ওপর। যাঁরা বাইরে মাঠে কাজ করেন তাঁদের শরীরে পানির প্রয়োজন নিশ্চিতভাবে ঘরে এসির ভেতর অবস্থানরত মানুষের চেয়ে বেশি। তেমনি গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলে বা গ্রীষ্মকালে, শীতপ্রধান অঞ্চলে বা শীতকালে পানির প্রয়োজন বেশি হবে। যাঁদের আগে পাথর হয়েছে তাঁদের বেলায় সাধারণত আমরা বলি এমন পরিমাণ পানি ও তরল পান করবেন, যাতে প্রস্রাব ২৪ ঘণ্টায় ২ লিটারের মতো হয় অথবা প্রস্রাব উচ্চবর্ণের না হয়। এটি দেখতে যেন অনেকটা পানির মতোই হয়। আপনার অবস্থানভেদে ২-৪ লিটার পান করার প্রয়োজন হতে পারে।


* কোনো অসুখের কারণে প্রস্রাব প্রবাহে বাধা অথবা সংক্রমণ থাকলে তার চিকিৎসা করতে হবে।

* খাদ্যে লবণের পরিমাণ কমাতে হবে।

* মূত্রতন্ত্র বা কিডনি থেকে পাথর বের করার পর আমরা পাথরের রাসায়নিক পরীক্ষা করে থাকি। ক্যালসিয়াম অক্সালেট পাথরের ক্ষেত্রে যেসব খাদ্যে অক্সালেট বেশি থাকে তা কম খেতে হবে। যেমন, পালংশাক, স্ট্রবেরি, মাখন, চকলেট, দুগ্ধজাতীয় খাবার। প্রস্রাবে সাইট্রেট কম থাকলে পটাশিয়াম সাইট্রেট খেতে দেওয়া যেতে পারে। এটি প্রস্রাবে অ্যাসিডোসিস কমায়। অজ্ঞাত কারণে প্রস্রাবে ক্যালসিয়াম বেড়ে গেলে মূত্রবর্ধক থায়াজাইডজাতীয় ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। ইউরিক অ্যাসিড থেকে পাথর হলে লাল মাংস খাওয়া কমাতে হবে; অ্যালোপিউরিনল ওষুধ অনেক ক্ষেত্রে দেওয়া যেতে পারে।

* মেটাবলিক সমস্যার জন্য পাথর হলে তার চিকিৎসা করতে হবে। প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থির অতিরিক্ত কার্যকারিতা বা টিউমার থাকলে তার শল্যচিকিৎসা করাতে হবে।

* অতিরিক্ত পরিমাণে ভিটামিন সি (যা শরীরে অক্সালেটে পরিণত হয়) ও ভিটামিন ডি (শরীরের ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বাড়ায়) খাওয়া পরিহার করতে হবে। তবে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন শরীরের জন্য ভালো।