বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়?

Md. Faisal Kabir
BSC
Assistant Manager Freight Forwarding
#সাধারণ জ্ঞান
1951 views

3 Answers

Md. Faisal Kabir
BSC
Assistant Manager Freight Forwarding

'সিলেট'

1951 views Answered

 সিলেট 

1951 views Answered

কৃত গুনাহের ওপর আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হয়ে গুনাহ আর না করার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করাই প্রকৃত তাওবা।

তাওবা করার সুন্দর একটি পদ্ধতি হলো, তাওবা করার জন্য প্রথমে সুন্দর করে অজু করা চাই। এরপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করে আল্লাহ তাআলার কাছে মাগফিরাত ওক্ষমা চাইতে হবে। গত জীবনের সব পাপ এবং আদেশ অমান্য করার অপরাধ থেকে মার্জনা চাইতে হবে। তবে এই নফল নামাজ তাওবার জন্য জরুরি নয়।

অবশ্য কোনো মানুষের সঙ্গে কৃত অন্যায়ের গুনাহ তার হক আদায় না করলে মাফ হবে না। তার হক আদায় ও তার নিকট ক্ষমা চাওয়া তাওবার পূর্বশর্ত।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, যে ব্যক্তি মন্দ কাজ করে বা নিজের নফসের উপর যুলুম করে, অতঃপর আল্লাহ তা'আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল ও দয়ালু পাবে। (আন নিসা:১১০)।

বান্দার হকের সাথে কিংবা আল্লাহর হকের সাথে সম্পর্কযুক্ত সব গোনাহই তাওবা ও ইস্তেগফারের দ্বারা মাফ হতে পারে। তবে তাওবা ও ইস্তেগফারের স্বরূপ জানা জরুরী। শুধু মুখে আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহি’ বলার নাম তাওবা ও ইস্তেগফার নয়।

তাই আলেমগণ এ বিষয়ে একমত যে, গোনাহে লিপ্ত ব্যক্তি যদি সে জন্য অনুতপ্ত না হয় এবং তা পরিত্যাগ না করে কিংবা ভবিষ্যতে পরিত্যাগ করতে সংকল্পবদ্ধ না হয়, তবে মুখে মুখে ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ বলা তাওবার সাথে উপহাস বৈ কিছু নয়। তাওবার জন্য মোটামুটি তিনটি বিষয় জরুরীঃ

(এক) অতীত গোনাহর জন্য অনুতপ্ত হওয়া,

(দুই) উপস্থিত গোনাহ অবিলম্বে ত্যাগ করা এবং

(তিন) ভবিষ্যতে গোনাহ থেকে বেঁচে থাকতে দৃঢ়সংকল্প হওয়া।

(চার) বান্দার হক নষ্ট করে থাকলে তা আদায় করা।

(তিরমিজি, হাদিস : ৪০২, আল মিনহাজ ফি শরহি মুসলিম : ১৭/৫৭, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত : ২/২৩৯-২৪০)। 

1951 views Answered

Next steps