1 Answers
দলিলিক প্রমাণিতঃ এশার নামাজ মাত্র ৬ রাকাত।
৪ রাকাত ফরজ নামাজ। এর পর দুই রাকাত সুন্নাত, যা নবী (সঃ) কখনো ছাড়েননি।
তবে মসজিদে আদায় করলে ৮ রাকাত হবে আপনার ইচ্ছানুযায়ী। কারন মসজিদে প্রবেশের পর দুই রাকাত তাহিয়াতুল মসজিদ যদি পড়েন।
এবার অপ্রমাণিতঃ অপ্রমাণিত কিন্তু কিছু হুজুরগণ মোট ১০ (১২) রাকাত আদায় করেন।
প্রথমে ৪ রাকাত সুন্নত আদায় করেন যার কোন দলিল পাওয়া যায়না এবং এটি না পড়লে কোনরুপ গুনাহ হয়না। এরপর ৪ রাকাত ফরজ নামাজ। এটি আবশ্যিক নামাজ। এরপর ২ রাকাত সুন্নাত নামাজ যা নবী (সঃ) কখনো ছাড়েননি। এরপর ২ রাকাত নফল নামাজ।( এই নফল আসলে এশার নামাজের পর পড়তেই হবে এমন কোন দলিল নাই। কারন নিষিদ্ধ সময় ব্যতিত নফল নামাজ দিনের যেকোন সময় আদায় করা যায়। কিন্তু এশার পর মানুষের হাতে যথেষ্ঠ সময় থাকে বলে পড়ে নেন, এভাবে এমন প্রচলিত হয়ে গেছে যে এশার নামাজের অংশ বলেই মনে হয়। বাস্তবে তা নয়)
এবার বেতরের নামাজ সম্পর্কেঃ অধিকাংশ মানুষ এশার নামাজের পর বেতরের নামাজ পড়েন এবং তা এশার নামাজের রাকাতের সাথে হিসাব করেন। বাস্তবে বেতরের নামাজ এশার নামাজের রাকাতের সাথে হিসাব করা যাবেনা। বেতরের নামাজ এশার নামাজের অংশ নয়, এটি ভিন্ন একটি নামাজ। এটি শেষ রাতের তাহাজ্জুদ নামাজের পর পড়া উত্তম। তবে যাদের ঘুমের সমস্যা আছে তাহারা এশার নামাজের পর পড়ে নেন। এটিকে প্রচলিত হিসাবে অনেকেই এশার নামাজের অংশ মনে করেন যা ঠিক নয়। বেতরের নামাজ হাদিস অনুযায়ী ১,৩,৫,৭ রাকাত পড়া যায়।