1 Answers

খাদ্য সংরক্ষণ নানা কারনে করে থাকে। বিশেষ করে এক সময়ের খাবার অন্য সময়ে খাওয়া, খাদ্যদ্রব্যকে পচন ও পোকামাকড় থেকে রক্ষা করা। তাছাড়া, বাণিজ্যিক পণ্য বাজারজাত করণ এবং দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করার জন্যও খাদ্য সংরক্ষণ করা হয়। খাদ্য দ্রব্যসমূহ আবার পচনশীল, অর্ধ পচনশীল এবং অপচনশিল এই তিন শ্রেণীর ভিত্তিতে সংরক্ষণ করা হয়। খাদ্য সংরক্ষণের বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-  ১. খাদ্যের অবস্থিত বিভিন্ন এনজাইম এবং জীবাণু ধ্বংস করে।  ২. খাদ্যের পানি অপসারন করে যেমন রোধে শুকিয়ে খাবার সংরক্ষণ করা যায়।  ৩. ফুটিয়ে এবং বায়ুশূন্য অবস্থায় টিনজাত করে খাদ্য সংরক্ষণ।  ৪. বিভিন্ন সংরক্ষক উপাধান যেমন চিনি, লবণ ইত্যাদির ব্যবহার করে খাদ্য সংরক্ষণ।  ৫. পরিমিত মাত্রায় হিমায়িতকরন করে খাদ্য সংরক্ষণ করা খুবই জনপ্রিয় পদ্ধতি।  ৬. পাস্তুরন এবং উচ্চমাত্রায় তাপ প্রয়োগ করে জীবাণু কোষ ধ্বংস করে খাদ্য সংরক্ষণ করা যায়।  ৭. সরাসরি আগুনে এবং ধুঁয়ায় কাবাব করে মাংস এবং মাছ সংরক্ষণ করা যায়।  ৮. বিভিন্ন ধরণের উপাদান ব্যবহার করে বোতলজাত করে খাদ্য সংরক্ষণ করা যায়।  ৯. খাদ্য দ্রব্য সংরক্ষণের আগে অবশ্যই ভালো করে পরিষ্কার করে নেয়া উচিত।

10245 views

Related Questions