2 Answers

অর্থগতভাবে শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়৷ যথাঃ  ক. যৌগিক শব্দ : যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে। যেমন : গায়ক, কর্তব্য প্রভৃতি। খ. রূঢ়ি শব্দ : প্রত্যয় ও উপসর্গ দ্বারা গঠিত যেসব শব্দ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ থেকে ব্যবহারিক অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা সেসব শব্দকে রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন : হস্তী, গবেষণা প্রভৃতি। গ. যৌগরূঢ় শব্দ : সমাস দ্বারা গঠিত যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ থেকে ব্যবহারিক অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা সেসব শব্দকে যৌগরূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন : পঙ্কজ, জলধি প্রভৃতি।

7788 views

অর্থবোধক ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টিকে শব্দ বলে। যেমন সকাল, দুপুর, বিকাল, রাত ইত্যাদি।  অর্থগতভাবে বাংলা শব্দসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা : ১. যৌগিক শব্দ ২. রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ  ৩. যোগরূঢ় শব্দ যৌগিক শব্দ : যেসব শব্দের প্রচলিত অর্থ ও তার মূল বা প্রকৃতির অর্থ অভিন্ন সেসব শব্দকে যৌগিক শব্দ বলে। যেমন: পক্ষ+ইক= পাক্ষিক, দল+ঈয়= দলীয়, কৃ+তব্য= কর্তব্য। রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ : যেসব শব্দ তার মূল বা প্রকৃতির অর্থের অনুগামী না হয়ে ভিন্ত অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন: হস্ত+ইন= হস্তী, এর মূল অর্থ হচ্ছে, ‘হস্ত আছে যার’ কিন্তু প্রচলিত অর্থে ‘হস্তী’ বলতে এক ধরনের বৃহৎ পশুকে বোঝায়। তেমনি বাঁশি, সন্দেশ, মহাজন ইত্যাদি শব্দগুলো রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দের উদাহরণ। যোগরূঢ় শব্দ: সমাস নিষ্পন্ন যেসব শব্দ তার সমস্যমান পদসমূহের অর্থের সম্পূর্ণ অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। যেমন পঙ্কজ= পঙ্কে জন্মে যা। পঙ্কে শৈবাল, শামুক, মাছ ছাড়াও অসংখ্য জলজ উদ্ভিদ জন্মালেও ‘পঙ্কজ’ বলতে কেবল পদ্ম ফুলকেই বোঝায়। তেমনি, অনুজ, অগ্রজ, জলধি, তপোবন ইত্যাদি। শব্দগুলো যোগরূঢ় শব্দের উদাহরণ।

7788 views

Related Questions