1 Answers
মধু মধু একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা ত্বককে উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে। ঠোঁটের ত্বকও এর ব্যতিক্রম নয়। মধু আপনার ঠোঁট থেকে কালচে ভাব দূর করার সাথে সাথে আপনার ঠোঁটকে কোমল করে তুলবে। রাতে ঘুমানোর আগে সামান্য একটু মধু নিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন সারারাত। কয়েক সপ্তাহ এভাবে প্রতিদিন শোবার পূর্বে ঠোঁটে মধু লাগান। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হতে দেখবেন। লেবুর রস লেবুর রস খুব ভালো একটি ব্লিচিং উপাদান হিসেবে পরিচিত। ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করতে এটি খুবই কার্যকরী একটি উপকরণ। রাতে ঘুমাতে যাবার আগে সামান্য লেবু চিপে তাজা রসটি দিয়ে ঠোঁট খুব ভালো ভাবে ম্যাসাজ করুন। নিয়ম মেনে প্রতিদিন এই কাজটি করুন। কয়েকদিনের মধ্যেই ঠোঁটের রঙের পার্থক্য দেখতে পাবেন। চিনি প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে চিনি ব্যবহার করা হয় অনেক কাজেই। চিনি দিয়ে ঠোঁট স্ক্রাব করলে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হওয়ার সাথে সাথে ঠোঁটের মরা চামড়াও দূর হয়। ত্বকের জন্য স্ক্রাবিং যতটা গুরুত্বপূর্ণ ঠোঁটের জন্যও ঠিক তাই। ৩ চামচ চিনি ও ২ চামচ বাটার একসাথে মিসিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। সপ্তাহে অন্তত ২ বার এই পেস্টটি দিয়ে ঠোঁট স্ক্রাব করুন। এতে আপনার ঠোঁটের মরা চামড়া দূর হবে এবং কালচে ভাব দূর হয়ে ঠোঁটে গোলাপি আভা আসবে। বীটরুট বীটরুট ঠোঁটের রঙ হালকা করা ও উজ্জলতা বাড়াতে বেশ কার্যকরী একটি উপাদান। বীটরুটের রস ঠোঁটে রক্তিম আভা নিয়ে আসে। তাই তাজা বীটরুটের রস ঠোঁটে লাগিয়ে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করতে পারেন। বরফ অনেকেই বরফের এই গুনটি সম্পর্কে ধারনা রাখেন না। যে কোন দাগের ওপর বরফ ঘষলে দাগ হালকা হয়ে যায়। ঠোঁটে এক টুকরো বরফ ঘষুন প্রতিদিন। এতে আপনার ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হবে। বরফ ঠোঁটের আদ্রর্তার পরিমান ঠিক রেখে ঠোঁটকে রুক্ষতার হাত থেকেও পরিত্রান দেবে। দুধের সর দুধের সরের মাধ্যমে ঠোঁটের গোলাপি আভা ধরে রাখার এই পদ্ধতিটি প্রাচীন কাল থেকেই চলে আসছে। প্রাচীন যুগে রানীরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করতেন। আপনিও এই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনার ঠোঁটের হারানো দ্যুতি ফিরে পেতে পারেন। দুধের সরে মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান। দিনে বেশ কয়েকবার ব্যবহারে কিছুদিনের মধ্যেই আপনার ঠোঁটে ফিরবে গোলাপি আভা। সূত্র (প্রিয় ডট কম)
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy