2 Answers
ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় যে ব্যক্তির হাতে জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ ব্যতীত সাড়ে সাত তোলা সোনা অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা সমমূল্যের অন্যকোন সম্পদ থাকে তার উপর ফিতরা ওয়াজিব।
6859 views
Answered
ফিতরা (যার পূর্ণ নাম ফিতরাহ) কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তির উপর ওয়াজিব। এটি রমজান মাসের শেষে ঈদুল ফিতরের নামাজের পূর্বে গরীব ও অসহায়দের জন্য দান হিসেবে আদায় করতে হয়। নিচে ফিতরা ওয়াজিব হওয়ার শর্তগুলো উল্লেখ করা হলো:
ফিতরা ওয়াজিব হওয়ার শর্ত:
1. ইসলাম: ফিতরা কেবল মুসলিমদের জন্য ওয়াজিব। অমুসলিমদের উপর ফিতরা দিতে হয় না।
2. বালেগ (প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া): প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমদের উপর ফিতরা ওয়াজিব। শিশুদের জন্য ফিতরা দেয়া প্রয়োজন নেই, তবে তাদের পক্ষ থেকে অভিভাবকরা ফিতরা দিতে পারেন।
3. বুদ্ধিসম্পন্ন হওয়া: মানসিকভাবে সুস্থ এবং সচেতন ব্যক্তির উপর ফিতরা ওয়াজিব। অস্বাভাবিক বা মানসিক রোগী ব্যক্তির জন্য এটি বাধ্যতামূলক নয়।
4. সম্পদ থাকা: যাদের কাছে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ রয়েছে, তাদের উপর ফিতরা ওয়াজিব। ইসলামী শরিয়তের নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ বা নেসাব থাকা উচিত। সাধারণভাবে, যাদের খাদ্য বা সমপরিমাণ অর্থ (যেমন, গম, খেজুর, রুটির জন্য প্রযোজ্য) রয়েছে, তাদের উপর ফিতরা দেয়া আবশ্যক।
ফিতরা আদায়ের উদ্দেশ্য:
ফিতরা একটি সামাজিক দান, যা গরীব ও অসহায়দের জন্য সহায়তা প্রদান করে এবং ঈদের দিন তাদের আনন্দিত করার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়। এটি ঈদের নামাজের পূর্বে গরীবদের মাঝে বিতরণ করা হয়, যাতে তারা ঈদ উদযাপন করতে সক্ষম হয়।
ফিতরা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা মুসলিম সমাজে সহানুভূতি ও একতার বন্ধন তৈরি করে।
6859 views
Answered
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy