4 Answers
কোন ছেলে রাস্তায়, স্কুলে, কলেজে বা যে কোন অলিতে গলিতে কোন মেয়েকে দেখার পর মুখ দিয়ে শিষ দেয়া, এমন কোন বাজে মন্তব্য করা যা শুনলে মেয়েটির খুব খারাপ লাগবে, হাসি ঠাট্টা করা অর্থ্যাৎ তাকে উক্ত্যক্ত করার নামই হল ইভটিজিং।
যৌন হয়রানির একটি অমার্জিত ভাষা হলো ইভটিজিং। ভারতীয়দের প্রচলিত ইভটিজিং শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ নারীকে উত্ত্যক্ত করা। সাধারণত ইভটিজিং বলতে বোঝায়- মেয়েদের উদ্দেশ্যে ছুঁড়ে দেয়া কিশোর-তরুণদের বিভিন্ন মন্তব্য,শিস বাজানো, ওড়নার আঁচলে টান দেয়া,চোখ টিপ্পনী দেয়া, ভিড়ের মধ্যে ধাক্কা দেয়া,অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি, যানবাহন বা মার্কেটে নারীকে দেকে খোঁচা দেয়া সর্বোপরি মেয়েদের উত্ত্যক্ত বা হয়রানি করাকে ইভটিজিং বলা হয়। এছাড়া তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়ন সাধনের ফলে মোবাইল ছবি তুলে বিরক্ত করা, মিছকল বা আপত্তিকর মেসেজ পাঠানো এবং ই-মেইল বা ফেসবুকের মাধ্যমে ময়েদের টিজ করাও ইভটিজিং এর অন্তর্গত।
ইভটিজিং:- লোকসমাগমপূর্ণ স্থানে পুরুষ কর্তৃক নারীদের নিগ্রহ বা উত্ত্যক্ত করাকে ইভটিজিং বলে।
ইভ টিজিং প্রকাশ্যে যৌন হয়রানি, পথেঘাটে উত্ত্যক্ত করা বা পুরুষ দ্বারা নারীনিগ্রহ নির্দেশক একটি কাব্যিক শব্দ যা মূলত ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও নেপালে ব্যবহৃত হয়। ইভ দিয়ে পৌরানিক আদিমাতা হাওয়া অর্থে সমগ্র নারীজাতিকে বোঝানো হয়। এটি তারুণ্যে সংঘটিত একধরনের অপরাধ। এটি এক ধরনের যৌন আগ্রাসন যার মধ্যে রয়েছে যৌন ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য, প্রকাশ্যে অযাচিত স্পর্শ, শিস দেওয়া বা শরীরের সংবেদনশীল অংশে হস্তক্ষেপ।