1 Answers

পিতা সামরিকবাহিনীর কর্মকতা ছিলেন। সে সুবাদে ঢাকার ক্যান্টমেন্টে শৈশবকাল কাটে তার। অবসরপ্রাপ্ত ক্রিকেটারদের সাথে খেলার মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে সংস্পর্শ ঘটে। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে অনেকগুলো বছর খেলেন। ১৯৯০-এর দশকে বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের কাছে ফাস্ট বোলিংয়ের জন্য তিনিই একমাত্র ভরসা ছিলেন। বাংলাদেশের ক্রিকেটের আশার আলো হওয়া স্বত্ত্বেও বহুভাবে বোলিংয়ের চেষ্টা করে সফলতা অর্জনে ব্যর্থ হন। বিশেষ করে, বোলিংয়ের শেষ মুহুর্তে তার পা যথাযথভাবে ক্রিজে পড়তো না। তার ফলো-থ্রোতেও ধারাবাহিকতা ছিল না। ফলে, তিনি কেবলমাত্র স্বল্পকালীন সময়ে সফলতা পেয়েছেন। সম্ভাবনাময় ক্রিকেট জীবন পূর্ণাঙ্গতা পায়নি তার। ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফির সফল সমাপ্তিতে তিনি সর্বমোট ১১ উইকেট পান। তারপরও তার সফলতম মূহুর্ত আসে কেনিয়ার বিপক্ষে চূড়ান্ত খেলায় লেগ-বাইয়ের মাধ্যমে জয়সূচক রানে। মার্চ, ২০০০ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ক্লাব ক্রিকেটের খেলা পাকিস্তানী ব্যাটসম্যান জহুর এলাহী’র সাথে ধাক্কা খেয়ে হাঁটুতে চোট পান। ঘটনাটি স্বাভাবিক হলেও স্টেডিয়ামে আবাহনী ও কলাবাগানের সমর্থকদের মধ্যে ঝগড়ায় পরিণত হয়।

9195 views

Related Questions