1 Answers

এক রীতির সাথে অন্য রীতি মিলিয়ে ফেললে ভাষা অসুন্দর হয়। ●একই রচনায় সাধু ও চলিত ভাষার সংমিশ্রণ অসংগত ও অশুদ্ধ। ●ভাষারীতিতে ত্রুটি ঘটে ●সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণের ফলে ভাষা প্রকৃতিগত বৈশিষ্ট্য হারিয়ে কলুষিত হয়ে পড়ে। তাই সাধু ও চলিতরীতির মিশ্রণ দূষণীয় হিসেবে পরিগণিত হয়। এ জন্য উভয়রীতির মিশ্রণ পরিহার করা অবশ্যই কর্তব্য।  এ ‘ গুরুচণ্ডালী ভাষাদোষে দুষ্ট হবার জন্যে বাংলা গদ্যের প্রথম পর্যায়ের কোনাে কোনাে গদ্য - লেখককেও বিদ্রুপ করে বলা হতাে ‘ শব - পােড়া মৱা – দাহে র দল ( শব - দাহ বা ‘ মরা - পােড়া না বলে ) । তাই , বাংলা গদ্যে বা রচনা এবং চলিত কথাবার্তায় এ দুই রীতির মিশ্রণ পুরােপুরিভাবে নিষিদ্ধ এবং দূষণীয় ও বর্জনীয়ও বটে । উদাহরন: নিচে গুরুচণ্ডালী দোষে দুষ্ট ভাষার একটি উদাহরণ লক্ষ করা যাক ☆“ ধরণীর মধ্যে সবচেয়ে বড় জিনিস জানিবার ও বুঝিবার প্রবৃত্তি মানুষের মন থেকে যেদিন চলিয়া যাবে সেদিন মানুষ আবার পশুত্ব লাভ করবে । ”  উল্লিখিত অশুদ্ধ বাক্যটিতে সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণের ফলে তা গুরুচণ্ডালী ভাষা - দোষে দুষ্ট ।  এ - বাক্যটির শুদ্ধ সাধু ও চলিত রূপ হবে নিম্নরূপ : *সাধু রীতিতে সংশােধন : ধরণীর মধ্যে যাহা সবচাইতে বড় জিনিস তাহা জানিবার ও বুঝিবার প্রবৃত্তি মানুষের মন হইতে । যেই দিন চলিয়া যাইবে সেই দিন মানুষ আবার পশুত্ব লাভ করিবে । *চলিত রীতিতে রূপান্তর : পৃথিবীর মাঝে যা সবচেয়ে বড় জিনিস তা জানবার ও বুঝবার প্রবণতা মানুষের মন থেকে । যেদিন চলে যাবে সেদিন মানুষ আবার পশুত্ব লাভ করবে ।

5612 views Answered

Related Questions

রাত হয় কেন?
1 Answers 6639 Views

Next steps