2 Answers
অনেকগুলো কারণে ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ১. সারভাইক্যাল স্পনডাইলোসিস ২. সারভাইক্যাল স্পনডাইলাইটিস ৩. সারভাইক্যাল স্পনডাইলিসথেসিস ৪. সারভাইক্যাল রিবস ৫. সারভাইক্যাল ক্যানেল স্টেনোসিস বা স্পাইনাল ক্যানাল সরু হওয়া ৬. সারভাইক্যাল ডিক্স প্রলেপস বা হারনিয়েশন, যেখানে হারনিয়াটেড ডিস্ক নার্ভের ওপর চাপ প্রয়োগ করে ৭. মাংসপেশী, হাড়, জোড়া, লিগামেন্ট, ডিস্ক (দুই কশেরুকার মাঝখানে থাকে) ও স্নায়ুর রোগ বা ইনজুরি ৮. অস্বাভাবিক পজিশনে নিদ্রা বা অনিদ্রা ৯. উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ ১০. হাড় ও তরুণাস্থির প্রদাহ ও ক্ষয় ১১. অস্টিওপরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় ও ভঙ্গুরতা রোগ ১২. হাড় নরম ও বাঁকা হওয়া ১৩. রিউমাটয়েড-আর্থ্রাইটিস ও সেরো নেগেটিভ আর্থ্রাইটিস ১৪. সারভাইক্যাল অস্টিও-আর্থ্রাইটিস ১৫. ফাইব্রোমায়ালজিয়া।
নিশ্চয়ই মনে প্রশ্ন আসে কেন এমন ব্যথা হয়? আপনার ঘাড়খানা কষ্টকরে যেই হাড়গুলো শক্ত করে রাখে তারা হলো কশেরুকা (cervical vertebra)এবং তাদের মাংশপেশী। আর এই কশেরুকাদের মাঝের স্বাভাবিক ফাক গুলো যখন কমে আসে তখন ই শুরু হয় ঘাড়ে ব্যথা। কারণ এই ফাকগুলোদিয়ে বের হয় আপনার স্নায়ু (nerve), আর হাড়ের ফাক কমেগেলে এই নার্ভের উপড় চাপ পরে এবং এইসকল নার্ভ যেসকল জায়গায় অনুভুতি বহন করে তারা সকলে বেদনার্ত হয়ে উঠে। কশেরুকার মাংশপেশীতে টান পড়া, হাড় ক্ষয়ে যাওয়া বা বৃদ্ধি পাওয়া, অস্থিসন্ধিতে (joint) রোগ হওয়া, লিগামেন্ট এ টান পরা ইত্যাদি নানাবিধ কারনে এমনটি হতে পারে, যদিও এর মধ্যে প্রথম কারনটিই প্রধান বলে গণ্য হয়।