3 Answers
মদ জিনা অন্যগুলোর মত সরাসরি দাসপ্রথাকে নিষেধ কেন করা হলো না, আমার জ্ঞান হতে আমি নিম্নে কথাগুলো বলছি- ১. সেসময় সমাজ ব্যবস্থা বড় চালিকাশক্তি ছিল ক্রীতদাসরা। পরিস্থিতিটা এমন ছিল এ প্রথা যদি উঠিয়ে দেওয়া হতো তাহলে হাটবাজার গৃহস্থালি কার্যক্রম থেকে শুরু করে সব স্থবির হয়ে যেত। তার বদলে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম তাদের অধিকার নিশ্চিত করার বন্দোবস্ত করেছেন। উৎসাহিত করেছেন গোলাম মুক্তি দেওয়া কে, কঠোর নিষেধ করেছেন স্বাধীন মানুষকে গোলাম হিসেবে বেচাকেনা বিরুদ্ধে। তিনি এমন একটা ব্যবস্থা তৈরি করেছিলেন যা সমাজের চালিকাশক্তি ঠিক রেখে সমাজ থেকে এ দাসপ্রথা বিলুপ্ত করা র। ২. যদি হুট করে দাসপ্রথা উঠিয়ে দেওয়া হতো, তবে বিশাল একটি কর্মহীন জনগোষ্ঠী তৈরি হতো, যাদের থাকতোনা বাসস্থান কাজের কোন সুযোগ। এ বিশাল জনগোষ্ঠী তখনকার সমাজব্যবস্থাকে নষ্ট করে দিত। তখন তৈরি হতো দুই ধরনের জাতি ব্যবস্থা 1 পুরাতন আরব জাতি ২ দাস গোষ্ঠী । শুরু হতো যুদ্ধ-বিগ্রহ ও বড় অঘটন। ইসলাম দাস ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যবধানটা কমিয়ে নিয়ে এসেছিল । কোরআন ও হাদিসের মাধ্যমে তাদের অধিকার নিশ্চিত ব্যাপারে জোর নির্দেশনা ছিল। অন্যান্য জাতিতে দাসদের সাথে যে জুলুম অত্যাচার করা হতো , সেখানে ইসলাম তাদের প্রতি নিয়ে এসেছিল শান্তির বাণী, মুক্তির ফরমান। দাস কে মুক্তি দেওয়া ছিল বিশাল বড় ইবাদত।।
মদ জিনা অন্যগুলোর মত সরাসরি দাসপ্রথাকে নিষেধ কেন করা হলো না, আমার জ্ঞান হতে আমি নিম্নে কথাগুলো বলছি- ১. সেসময় সমাজ ব্যবস্থা বড় চালিকাশক্তি ছিল ক্রীতদাসরা। পরিস্থিতিটা এমন ছিল এ প্রথা যদি উঠিয়ে দেওয়া হতো তাহলে হাটবাজার গৃহস্থালি কার্যক্রম থেকে শুরু করে সব স্থবির হয়ে যেত। তার বদলে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম তাদের অধিকার নিশ্চিত করার বন্দোবস্ত করেছেন। উৎসাহিত করেছেন গোলাম মুক্তি দেওয়া কে, কঠোর নিষেধ করেছেন স্বাধীন মানুষকে গোলাম হিসেবে বেচাকেনা বিরুদ্ধে। তিনি এমন একটা ব্যবস্থা তৈরি করেছিলেন যা সমাজের চালিকাশক্তি ঠিক রেখে সমাজ থেকে এ দাসপ্রথা বিলুপ্ত করা র। ২. যদি হুট করে দাসপ্রথা উঠিয়ে দেওয়া হতো, তবে বিশাল একটি কর্মহীন জনগোষ্ঠী তৈরি হতো, যাদের থাকতোনা বাসস্থান কাজের কোন সুযোগ। এ বিশাল জনগোষ্ঠী তখনকার সমাজব্যবস্থাকে নষ্ট করে দিত। তখন তৈরি হতো দুই ধরনের জাতি ব্যবস্থা 1 পুরাতন আরব জাতি ২ দাস গোষ্ঠী । শুরু হতো যুদ্ধ-বিগ্রহ ও বড় অঘটন। ইসলাম দাস ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যবধানটা কমিয়ে নিয়ে এসেছিল । কোরআন ও হাদিসের মাধ্যমে তাদের অধিকার নিশ্চিত ব্যাপারে জোর নির্দেশনা ছিল। অন্যান্য জাতিতে দাসদের সাথে যে জুলুম অত্যাচার করা হতো , সেখানে ইসলাম তাদের প্রতি নিয়ে এসেছিল শান্তির বাণী, মুক্তির ফরমান। দাস কে মুক্তি দেওয়া ছিল বিশাল বড় ইবাদত।
মদ জিনা অন্যগুলোর মত সরাসরি দাসপ্রথাকে নিষেধ কেন করা হলো না, আমার জ্ঞান হতে আমি নিম্নে কথাগুলো বলছি- ১. সেসময় সমাজ ব্যবস্থা বড় চালিকাশক্তি ছিল ক্রীতদাসরা। পরিস্থিতিটা এমন ছিল এ প্রথা যদি উঠিয়ে দেওয়া হতো তাহলে হাটবাজার গৃহস্থালি কার্যক্রম থেকে শুরু করে সব স্থবির হয়ে যেত। তার বদলে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম তাদের অধিকার নিশ্চিত করার বন্দোবস্ত করেছেন। উৎসাহিত করেছেন গোলাম মুক্তি দেওয়া কে, কঠোর নিষেধ করেছেন স্বাধীন মানুষকে গোলাম হিসেবে বেচাকেনা বিরুদ্ধে। তিনি এমন একটা ব্যবস্থা তৈরি করেছিলেন যা সমাজের চালিকাশক্তি ঠিক রেখে সমাজ থেকে এ দাসপ্রথা বিলুপ্ত করা র। ২. যদি হুট করে দাসপ্রথা উঠিয়ে দেওয়া হতো, তবে বিশাল একটি কর্মহীন জনগোষ্ঠী তৈরি হতো, যাদের থাকতোনা বাসস্থান কাজের কোন সুযোগ। এ বিশাল জনগোষ্ঠী তখনকার সমাজব্যবস্থাকে নষ্ট করে দিত। তখন তৈরি হতো দুই ধরনের জাতি ব্যবস্থা 1 পুরাতন আরব জাতি ২ দাস গোষ্ঠী । শুরু হতো যুদ্ধ-বিগ্রহ ও বড় অঘটন। ইসলাম দাস ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যবধানটা কমিয়ে নিয়ে এসেছিল । কোরআন ও হাদিসের মাধ্যমে তাদের অধিকার নিশ্চিত ব্যাপারে জোর নির্দেশনা ছিল। অন্যান্য জাতিতে দাসদের সাথে যে জুলুম অত্যাচার করা হতো , সেখানে ইসলাম তাদের প্রতি নিয়ে এসেছিল শান্তির বাণী, মুক্তির ফরমান। দাস কে মুক্তি দেওয়া ছিল বিশাল বড় ইবাদত।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy