1 Answers
দোস্ত মুহাম্মদ আফগানিস্তানের কান্দাহারে ১২১৬ হিজরী (১৮০১/১৮০২) এ জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানে নিজের প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। তরুণ বয়সেই তিনি মদীনার নববী মসজিদে একজন বিখ্যাত ভারতীয় নকশাবন্দি তরিকার পীর গোলাম আলী দেহলভীর (১৭৪৩-১৮২৪) অপ্রত্যাশিত স্বাক্ষাত পেয়ে যান। তিনি বলেন যে গোলাম আলীর আধ্যাত্বিক শক্তি (ফয়েজ) এতটাই প্রখর ছিল যা তাকে সর্বদা অস্থির এবং মনযোগ বিচ্ছিন্ন করত। গোলাম আলীর আধ্যাত্বিক শক্তিতে তিনি এতটাই মোহিত হয়েছিলেন যে তিনি নিজের গৃহ থেকে বেরও হতে পারতেন না। ভারতে ফিরে তিনি আধ্যাত্বিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে পড়েন যার কিছু কয়েক সপ্তাহ অবধি স্থায়ী ছিল। যা হোক, দোস্ত মুহাম্মদ বায়াত দান করার আগেই গোলাম আলী ওফাত বরণ (মৃত্যুবরণ) করেন।তাই তিনি গোলাম আলীর খলিফা (আধ্যাত্বিক প্রতিনিধি) আবু ছৈয়দ মোজাদ্দেদী রামপুরী এর হাতে বায়াত দান করার জন্য আবেদন করেন। আবেদনের সময় আবু ছৈয়দ হজ্জ করার জন্য দেশ ত্যাগ করছিলেন, তাই তিনি দোস্ত মুহাম্মদকে তার পুত্র (এবং খলিফা) শাহ আহমদ ছৈয়দ দেহলভীর (১৮০২-১৮৬০) কাছে প্রেরণ করেন। প্রায় ১৪ মাস আপন মুর্শিদের (পীর) সাথে অতিবাহিত করার পর, হাজী দোস্ত মুহাম্মদ আহমেদ ছৈয়দের খলিফা (আধ্যাত্বিক প্রতিনিধি) হিসেবে নিযুক্ত হন এবং আফগানিস্তানের কান্দাহার এলাকায় নিযুক্ত হন।১৮৪২ সালে শাহ সুজার, (আফগানিস্তানের শাসক) গুপ্তহত্যার জের ধরে দোস্ত মুহাম্মদ দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।(এই এক ঘটনায় তার বিখ্যাত কতিপয় শিষ্য যেমন ছৈয়দ মুহাম্মদ শাহ জান-ফিশান খান পাগমানিও দেশ ত্যাগে বাধ্য হন।) আহমেদ ছৈয়দ তাকে এমন এক জায়গায় স্খায়ী হতে পরামর্শ দেন যেখানে পশতু এবং পাঞ্জাবী উভয় ভাষায় কথা বলা যায়। কেন্দ্র গড়ে তুলেন এবং মৃত্যুর পর সেখান সমাহিত হন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy