4 Answers

খাবার সময় মতো না খেলে বা খাওয়ার অনিয়ম করলে সব থেকে যে বড় সমস্যাটি হয় সেটি হচ্ছে গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটি।। আমাদের পাকস্থলিতে নিয়ম করে সময় মতো কিছু এসিড নিসৃত হয়, যে এসিডগুলো খাদ্য পরিপাক বা হজমে সাহায্য করে।। আর এসিডগুলো তো সময় মতো নিসৃত হতেই থাকে, তাই সময় মতো খাবার না খেলে গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সৃষ্টি হয়।। আর তখনই পেটে অনেক রকমের সমস্যা দেখা দেয় যেমন: পেটে ব্যথা, বুক জ্বালা করা, অম্বল হওয়া ইত্যাদি।।

10033 views Answered

একবেলা খাওয়া আরেকবেলা না খাবার খাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি হয় গ্যাসট্রিকের সমস্যা। বদহজম, গ্যাস ও অম্বল ইত্যাদি। সঠিক সময়ে সঠিক খাবার না খাওয়ার কারণে বয়স যখন ৪০ পেরিয়ে যায়, তখন তাঁদের শরীর খুব দ্রুত ভেঙে পড়ে। তাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুব কমে যায়।

10033 views Answered

দেরি করে ঘুম থেকে উঠছেন, সকালে খাচ্ছেন না, রাতভর জাগছেন। এতে কী কী ক্ষতি হচ্ছে সে বিষয়ে কোনও ধারণা আছে কী?  সকালে না খেলে যে ভয়ঙ্কর ক্ষতি হতে পারে তার মধ্যে ডায়বেটিস, মুটিয়ে যাওয়ার মতো ভয়ঙ্কর রোগ আছে জানেন কী। ব্রেকফাস্টকে বা সকালের নাস্তাকে আমরা যতটা তাচ্ছিল্যের চোখে দেখি না কেন। সকালবেলা খাবার না খাওয়ার ফল যে কতটা মারাত্মক হতে পারে তা কল্পনার বাইরে।  হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির করা এক গবেষণা অনুসারে যারা নিয়মিত ব্রেকফাস্ট করেন না, তাদের হাঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ২৭ শতাংশ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে হরমোনাল ইমব্যালেন্স সহ আরও নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। আরও যেসব ঝুঁকি থাকে তার একটি তালিকা দেওয়া হচ্ছে... ১. ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে: সকালে কিছু না খেয়েই যারা দিন শুরু করুন, তাদের শরীরে গ্লকোজ টলারেন্স বেড়ে যায়, যা এক সময়ে গিয়ে ইনসুলিন রেজিটেন্স হওয়ার পথকে প্রশস্ত করে করে। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। ২. ওজন বৃদ্ধি পায়: অনেকেই ভাবেন কম খেলে ওজন কমে। এই ধরণা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। বরং যত কম খাবেন, তত বেশি বেশি করে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে। কেন এমনটা হয় জানেন? ব্রেকফাস্ট না করার কারণে লাঞ্চের সময় আসতে আসতে এতটাই ক্ষিদে পেয়ে যায় যে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া হয়ে যায়। ফলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি জমা হতে হতে এক সময়ে গিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ৩. হজম ক্ষমতা কমে যায়: খাবার হল জ্বালানি, যাকে কাজে লাগিয়ে শরীর সচল থাকে। সেই কারণেই তো সকাল বেলা কিছু না খেলে শরীরের কাছে নির্দেশ যায় কম কম কাজ করার জন্য। সে সময় হজম কম হতে থাকে। ৪.বুদ্ধি কমে যায়: ব্রেকফাস্ট না করলে শরীরে গ্লকোজ লেভেল কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে রক্তে শর্করার মাত্র কমে যাওয়ার কারণে ব্রেনে পুষ্টির ঘাটতি হতে শুরু করে। ফলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বুদ্ধির ধারও কমতে শুরু করে। ৫. রাগ বাড়তে থাকে: লক্ষ করে দেখবেন যখন পেটে ক্ষিদের আগুন জ্বলতে থাকে, তখন মন মেজাজও কেমন বিগড়ে যায়। তাই তো সকাল সকাল খাবার না খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীর ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে মন মেজাজও খারাপ হতে শুরু করে। ফলে কোনও কিছুতেই মন বসতে চায় না। সম্প্রতি ব্রিটেনের একটি সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে ব্রেকফাস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যা মনকে একেবারে চাঙ্গা করে তোলে।

10033 views Answered

হাদীসের ভাষ্য অনুযায়ী, অধিক খাওয়া দেহের জন্য ক্ষতিকর। অন্য হাদীসের ভাষ্য অনুযায়ী, খাওয়ার সময় পেটকে তিনভাগ করে খাওয়া। ১. একভাগে পানি ২. আরেক ভাগে খাবার ৩. আরেক ভাগ খালি। এইভাবে খানা খেলে শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে। রমজানের ফজিলতে আমরা পড়েছি, রোজা রাখার কী কী উপকার। সুতরাং আমরা বুঝতে পারি, মাঝে মাঝে ইচ্ছাকৃতভাবে এক/দুই বেলা খানা ছেড়ে দেওয়া ভালো। সেটা হতে পারে আপনার শরীরের সুস্থতার উপকরণ। হ্যাঁ যদি আপনি এমন কোন রোগের রুগী হন, যার কারণে আপনি না খেলে অসুস্থ হয়ে পড়বেন। তাহলে খানা না ছাড়াই উত্তম হবে।

10033 views Answered

Next steps