1 Answers

যেহেতু কিয়ামতের দিন উপার্জনের উৎস সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে সেহেতু মুমিনের জন্য হালাল উপার্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ( সুনানুত তিরমিযী, হাদীস নং ২৪১৭) আর ইসলাম কল্যাণকর সকল বস্তুকে মানবজাতির জন্য হালাল করেছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ كُلُواْ مِمَّا فِي ٱلۡأَرۡضِ حَلَٰلٗا طَيِّبا “হে মানুষ পৃথিবীতে হালাল ও তাইয়্যিব যা রয়েছে তা থেকে আহার কর।”(সূরা বাক্বারা ১৬৮) সুতরাং আপনার উক্ত কাজের মাঝে যদি মিথ্যাচার, প্রতারণা, সুদ-ঘুষের সম্পৃক্ততা, যুলুম, খেয়ানত না থাকে; বরং যদি কাজটা আপনি সততা, আমানতদারিতা, স্বচ্ছতা, আন্তরিকতা, শৃঙ্খলা ও ওয়াদা পালনসহ সম্পাদন করতে পারেন তাহলে এর বিনিময়ে মুনাফা অর্জন আপনার জন্য হালাল হবে। হাদীসে এসেছে, عَنْ أَبِي سَعِيدٍ ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ : التَّاجِرُ الصَّدُوقُ الأَمِينُ مَعَ النَّبِيِّينَ وَالصِّدِّيقِينَ وَالشُّهَدَاءِ ‘‘আবু সাঈদ খুদরী রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “সৎ ও আমানতদার ব্যবসায়ী (কিয়ামতের দিন) নবীগণ, সিদ্দিকীন ও শহীদদের সাথে থাকবে।” (সুনানুত তিরমিযী, হাদীস নং ১২০৯)

10104 views

Related Questions