3 Answers

হ্যা, বৈধ বা জায়েয। কেননা, প্রথমত, মক্কা শরীফ (কা’বা শরীফ ও মসজিদুল হারাম) আমাদের জন্য অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও সম্মানের বিষয়বস্তু হলেও, যেমনি এসব পেছনে রেখে বা পেছন ফিরে - দাঁড়ালে, বসলে বা অবস্থান করলে, তা মক্কা শরীফের সম্মানহানী কিংবা আদবের খেলাফের কারণ হয় না; তেমনি মক্কা শরীফ পেছনে রেখে ছবি তুললেও, তা মক্কা শরীফের সম্মানহানীর কারণ হবে না।দ্বিতীয়ত, মক্কা শরীফের ছবি পেছনে রেখে কারও ছবি তোলা, মসজিদুল হারামে গিয়ে বাস্তব কা’বা শরীফ পেছনে রেখে ছবি তোলার মতোই। এতেও মক্কা শরীফের ইজ্জতহানী কিংবা আদবের খেলাফের কোনো অবকাশ নেই। তবে এটা লক্ষ্য রাখতে হবে যে, যেন এমন ছবি আমাদের লোক দেখানো ইবাদত বা রিয়া’র বিষয় না হয়ে দাঁড়ায়।

4788 views Answered

হ্যা, বৈধ বা জায়েয। কেননা, প্রথমত, মক্কা শরীফ (কা’বা শরীফ ও মসজিদুল হারাম) আমাদের জন্য অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও সম্মানের বিষয়বস্তু হলেও, যেমনি এসব পেছনে রেখে বা পেছন ফিরে - দাঁড়ালে, বসলে বা অবস্থান করলে, তা মক্কা শরীফের সম্মানহানী কিংবা আদবের খেলাফের কারণ হয় না; তেমনি মক্কা শরীফ পেছনে রেখে ছবি তুললেও, তা মক্কা শরীফের সম্মানহানীর কারণ হবে না। দ্বিতীয়ত, মক্কা শরীফের ছবি পেছনে রেখে কারও ছবি তোলা, মসজিদুল হারামে গিয়ে বাস্তব কা’বা শরীফ পেছনে রেখে ছবি তোলার মতোই। এতেও মক্কা শরীফের ইজ্জতহানী কিংবা আদবের খেলাফের কোনো অবকাশ নেই। তবে এটা লক্ষ্য রাখতে হবে যে, যেন এমন ছবি আমাদের লোক দেখানো ইবাদত বা রিয়া’র বিষয় না হয়ে দাঁড়ায়।

4788 views Answered

হ্যা, বৈধ বা জায়েয। কেননা, প্রথমত, মক্কা শরীফ (কা’বা শরীফ ও মসজিদুল হারাম) আমাদের জন্য অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও সম্মানের বিষয়বস্তু হলেও, যেমনি এসব পেছনে রেখে বা পেছন ফিরে - দাঁড়ালে, বসলে বা অবস্থান করলে, তা মক্কা শরীফের সম্মানহানী কিংবা আদবের খেলাফের কারণ হয় না; তেমনি মক্কা শরীফ পেছনে রেখে ছবি তুললেও, তা মক্কা শরীফের সম্মানহানীর কারণ হবে না। দ্বিতীয়ত, মক্কা শরীফের ছবি পেছনে রেখে কারও ছবি তোলা, মসজিদুল হারামে গিয়ে বাস্তব কা’বা শরীফ পেছনে রেখে ছবি তোলার মতোই। এতেও মক্কা শরীফের ইজ্জতহানী কিংবা আদবের খেলাফের কোনো অবকাশ নেই। তবে এটা লক্ষ্য রাখতে হবে যে, যেন এমন ছবি আমাদের লোক দেখানো ইবাদত বা রিয়া’র বিষয় না হয়ে দাঁড়ায়।

4788 views Answered

Next steps