1 Answers
পিয়াজ রসুন এগুলো গাছের ফলও নয় আমিষ খাদ্যও নয়। সাত্বিক খাদ্যই মন ও শরীর গঠনের অনুকূল। ডিম মাছ কচ্ছপ চিংড়ি কাঁকড়া হাঁস কাক ছাগল কুকুর শুকর গরু বাদুড় মানুষ ইত্যাদি রক্ত মাংস যুক্ত তন্মধ্যে বস্তুকে আহার করাই হচ্ছে সমাজের কুসংস্কার। পিয়াজ রসুন মসুরডাল প্রভৃতি খাদ্য অধিক উত্তেজক বস্তু জেনে আত্বিক ব্যক্তিরা এগুলি গ্রহন করতে নিষেধ করেছেন মাত্র। পুরানে উক্ত হয়েছে সমুদ্র মন্থনকালে উত্থিত অমৃত ভগবান মুহিনী অবতার দ্বারা পরিবেশ কালে দেপ ছদ্মবেশী রাহুনামকে এক অসুর অমৃত গ্রহন করেছিলেন। এমন সময় চন্দ্র সূর্যদেবের ইঙ্গিতে মুহিনী অবতার সুদর্শন চক্র দিয়ে রাহুর গলা কেটে দেন। রাহু অসুরের রক্ত মাটিতে পতিত হলে সেখান থেকে পিয়াজ রসুনের জন্ম হল। তাই পিয়াজ রসুন গ্রহন করলে শরীরে আসুরিক ভাব ও উত্তেজনা বৃদ্বি পায়। সেই হেতু ঐ উত্তেজক পদার্থ ব্যক্তিগণ গ্রহন করেন না মুনুসংহিতায় পিয়াজ রসুন খেতে নিষেধ রয়েছে। মসুর ডাল ও এই রকমই ডাল যা অন্যান্য আমিষ খাদ্যের মতোই মানুষের শরীরে আত্বিক ভাব নষ্ট করে।মুসুর ডালে প্রচুর প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকে যা মানুষের শরীরে স্বাভাবিক প্রোটিনের চাহিদা পুরনের পরেও বারতি থাকে এবং স্বভাবতই ইহা দীর্ঘ দিন সেবনের ফলে মানুষকে কামপ্রবনে বাধ্য করে তাই মুসুর ডালকে আমিষ বলা হয়। মাছ মাংস ডিম ইত্যাদি উগ্র হিংস্র প্রাণীর খাদ্য মানুষকে খেতে নিষেধ করা হয়েছে। ফল ফুল পাতা ইত্যাদি উদ্ভিজ খাদ্য মানুষকে গ্রহন করতে ভগবান নির্দেশ দিয়েছেন। ফল ফুল পাতা মাটিতে ঝরে পড়লে তবে সেই ফল ফুল পাতা খাদ্য হিসাবে গ্রহন করা যাবে। নতুবা গ্রহন করা পাপ হবে। এরকম কথা আমরা শুনিনি। লাউ,পুঁই, বেগুন, কুমড়ো, শশা, লংকা, ঢেঁড়স, ইত্যাদি গাছ থেকে পাতা কিংবা ফল ঝরে পড়লেসেই পাতা বা ফল খাওয়া যাবে নতুবা যাবে না এ্ই রকম কথা কোথাও লেখা নেই। ভগবানকে পূজা করতে হলে গাছথেকে ফুল টকতেই হয়। অতএব ভগবানকে নিবেদন করে উদ্ভিজ খাদ্য গ্রহন করলে কোন পাপ হওয়ার কথা নয় ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy