1 Answers

সন্তান প্রসব হওয়া নি:সন্দেহে একজন নারীর জন্য অবর্ণনীয় কষ্টের। একজন ইমাদার নারীর জন্য এর বিনিময়ে মহান আল্লাহ পক্ষ থেকে পুরস্কার রয়েছে। এই কষ্টের বিনিময়ে তিনি তার গুনাহ মোচন করেন এবং তার দরবারে মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। যেমন হাদীস বর্ণিত হয়েছে, 

(مَا يُصِيبُ الْمُسْلِمَ مِنْ نَصَبٍ وَلَا وَصَبٍ وَلَا هَمٍّ وَلَا حُزْنٍ وَلَا أَذًى وَلَا غَمٍّ حَتَّى الشَّوْكَةِ يُشَاكُهَا إِلَّا كَفَّرَ اللَّهُ بِهَا مِنْ خَطَايَاهُ) رواه البخاري (5642) ومسلم (2573)
“*কোন মুসলিম যদি ক্লান্ত হয়, অসুস্থ হয়, (অতীতের কোন বিষয়ে) দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়, (ভবিষ্যের কোন বিষয়ে) চিন্তায় পড়ে যায়, কষ্টে নিপতিত হয় বা মানসিকভাবে অস্থিরতা অনুভব করে এমন কি যদি একটা কাঁটা বিদ্ধও হয় তাহলে আল্লাহ এর বিনিময়ে তার গুনাহ সমূহ মোচন করে দেন।* ” (সহীহ বুখারী ও মুসলিম-আবু সাঈদ কুদরী রা. হতে বর্ণিত ) অন্য বর্ণনায় রয়েছে: “তার মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।”
সুবহান আল্লাহ!! এটি বিরাট বড় সুসংবাদ। এই সুসংবাদ শুনলে যত বিপদ হোক না কেন মুমিনের মানসিক শক্তি বেড়ে যায়।
যাহোক, এ হাদীস সহ আরও বহু হাদীসে যেগুলোতে সৎ আমলের মাধ্যমে গুনাহ মোচনের কথা বলা হয়েছে সেগুলোর ব্যাপারে বিজ্ঞ মুহাদ্দিসদের বক্তব্য হচ্ছে, *আল্লাহ তাআলার এগুলোর মাধ্যমে বান্দার ছোটগুনাহ সমূহ মোচন করেন। কিন্তু বড় গুনাহের জন্য তওবা করা জরুরি।*
তাই বলব, সন্তান প্রসব বেদনায় আল্লাহ তাআলা ঈমানদার নারীর সগীরা বা ছোটগুনাহ সমূহ মোচন করেন। কবীরা বা বড় গুনাহের জন্য পৃথকবাবে তওবা করা অপরিহার্য।
1679 views Answered

Related Questions

Next steps