3 Answers

হারাম হয়ে যাবে। যদি ১পয়সা ও মিশে।

1797 views

জি,হালাল সম্পদের সাথে হারাম সম্পদ মিশ্রিত হয়ে গেলে সম্পূর্ণটাই হারাম হয়ে যাবে।

এ ব্যাপারে,ইতিহাস থেকে যানা যায়,ইমাম আবু হাবিফা (রহ) কাপড়ের ব্যাবসা করতে।একটা কাপড় ছিল একটু ছেঁড়া বা ক্ষুত যুক্ত,তাই তিনি কর্মচারীকে বললেন,কাপড়টা যখন বিক্রি করবে তখন ক্রেতাকে এই ক্ষুত দেখিয়ে দিবে,এটা দেখে সে যে দাম দিবে সেটাই নিবে।তারপর ১ সপ্তাহ পরে তিনি দোকানে এসে কর্মচারীকে জিজ্ঞেস করলে কাপড়টি কি হলো।

কর্মচারী বললো,বিক্রি করে দিয়েছি।

আবু হানিফা (রহ) বললেন,তাকে কি ক্ষুত দিখিয়ে দিয়েছ?

কর্মচারী বললো, না, আমি ভুলে গিয়েছিলাম

আবু হানিফা (রহ) বললেন,কত টাকা বিক্রি করেছিলে, বিক্রি করে ছিলে?

কর্মচারী বললো,আমার মনে নেই।

এটা দেখে তিনি তার গত ৭ দিনে যত টাকা বিক্রি ও লাভ হয়েছে তার সকল টাকাই ফকির,মিসকিন দেরকে দান করে দিলেন।

আরও একটা ঘটনা আছে,তখনকার আরবের মধ্যে সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি ছিল,তার ১০০ ব্যারেল মধু ছিল।এটাই তার ব্যাবসায়ের মূলধন এবং পুঁজি ছিল।একদিন সে দেখে তার একটা মধুর ব্যারেলে একটা ইঁদুর পরে মরে আছে।তিনি ইদুরটি ফেলে দিল কিন্তু ব্যাস্ততার করনে মধু ফেলে বা ব্যারেলটি আলাদা করতে রাখতে ভুলে গেলেন।কিছুক্ষণ পরে এসে তিনি,চিনতে পারছিলেন না যে কোন ব্যারেলে ইঁদুরটি পরেছিল।তাই তিনি আর কিছু না ভেবে সঙ্গে সঙ্গে ১০০ ব্যারেল মধুই ফেলে দিলেন।কারণ,ঐ ব্যারেলের মধু অন্য ব্যারেলে পরলে সেটিও নাপাক হয়ে যাবে।এভাবে কিছুক্ষণ আগের সবচেয়ে ধনী থেকে সবচেয়ে গরীবে পরিণত হলো।

এভাবে আরও অনেক ঘটনা আছে,সাহাবীরা ইসলাম গ্রহন করার পরে,ইসলাম গ্রহনের আগের সব হারাম অর্থ বর্জন করেছিলেন।

তাই আপনার এমন ধরনের যদি হয়,হারাম অর্থ হালাল অর্থের সাথে মিশে যায় তাহলে ঐ অর্থ আপনি গ্রহন না করে, সওয়াবের আশা না করে ফকির-মিসকিনদের মাঝে বিলিয়ে দিন।আর তাওবা করুন,আর কোন হারাম অর্থ উপার্জন করবেন না বা গ্রহন বা সংরক্ষণ  করবেন না।

1797 views

না।আপনি যে পরিমান হারাম টাকা  মিশ্রিত করেছেন তা আলাদা করে সওয়াবের নিয়ত ছাড়া দান করে দিন।বাকি টাকা যা আপনি বৈধ উপায়ে অর্জন করেছেন তা আপনার জন্য হালাল।

1797 views

Related Questions