উত্তরঃ জড়জগতে সমস্তু জীবই জড়াপ্রকৃতির তিনটি কশের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। জীব বিভিন্ন গুণ-সঙ্গ প্রভাবে বিভিন্ন ধরণের স্বভাব লাভ করে থাকে। গুণ প্রভাবের মাত্রাধিক্য অনুসারে বিভিন্ন ধরণের শ্রদ্ধার উদয় হয়। আর শ্রদ্ধার প্রকৃতি অনুসারে উপাসনা  
পদ্ধতি, তপশী ও উপসের তারতম্য ঘটে। যেমন কেউ নিরাকার অব্যক্তের প্রতি, কেউ গাছ পাথরের প্রতি, কেউ মায়াদেবীর রূপ কালী প্রভৃতি দেবদেবীর প্রতি আকৃষ্ট হয়। গুণমুক্ত অবস্থায় প্রত্যেকেই কেবল কৃষ্ণের সেবক।কিন্তু বন্ধাবস্থায় গুণের প্রভাবে শ্রদ্ধা বিকৃত হয়েছে। তাদের পুজা, ব্রারাধনা তপস্যা সবই সত্ব, রজ্জ ও তম—এই তিনটি গুণের দ্বারা প্রভাবিত। কোনাে মানুষ যখন তার সমস্ত কর্ম পরমেশ্বর ভগবানকে অর্পণ করেন, তখন তার কর্ম সৎ হয়ে ওঠে, কিন্তু ভগবানের প্রতি শ্রদ্ধাহীন সকল কর্ম অসৎ, নিল র্থাৎ ভগবৎ সম্পর্ক শুনা সমস্ত উপাসনা তপস্যা দান ইত্যাদি কেবল বদ্ধজীবনের বৃদ্ধি করে থাকে।  
 

1996 views

1 Answers

উত্তরঃ জড়জগতে সমস্তু জীবই জড়াপ্রকৃতির তিনটি কশের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। জীব বিভিন্ন গুণ-সঙ্গ প্রভাবে বিভিন্ন ধরণের স্বভাব লাভ করে থাকে। গুণ প্রভাবের মাত্রাধিক্য অনুসারে বিভিন্ন ধরণের শ্রদ্ধার উদয় হয়। আর শ্রদ্ধার প্রকৃতি অনুসারে উপাসনা  
পদ্ধতি, তপশী ও উপসের তারতম্য ঘটে। যেমন কেউ নিরাকার অব্যক্তের প্রতি, কেউ গাছ পাথরের প্রতি, কেউ মায়াদেবীর রূপ কালী প্রভৃতি দেবদেবীর প্রতি আকৃষ্ট হয়। গুণমুক্ত অবস্থায় প্রত্যেকেই কেবল কৃষ্ণের সেবক।কিন্তু বন্ধাবস্থায় গুণের প্রভাবে শ্রদ্ধা বিকৃত হয়েছে। তাদের পুজা, ব্রারাধনা তপস্যা সবই সত্ব, রজ্জ ও তম—এই তিনটি গুণের দ্বারা প্রভাবিত। কোনাে মানুষ যখন তার সমস্ত কর্ম পরমেশ্বর ভগবানকে অর্পণ করেন, তখন তার কর্ম সৎ হয়ে ওঠে, কিন্তু ভগবানের প্রতি শ্রদ্ধাহীন সকল কর্ম অসৎ, নিল র্থাৎ ভগবৎ সম্পর্ক শুনা সমস্ত উপাসনা তপস্যা দান ইত্যাদি কেবল বদ্ধজীবনের বৃদ্ধি করে থাকে।  
 

1996 views

Related Questions