1 Answers

আহার- যে সমস্ত আহার, আয়ু, উদ্যম, বল, আরােগ্য সুখ ও প্রীতি বিধান করে এবং সরল, স্নিগ্ধ, পুষ্টিকর ও মনােরম, সেগুলি সাত্ত্বিক ব্যক্তিদের প্রিয় হয়। যে সমস্ত আহার দুঃখ, সুখ ও রোগ সৃষ্টি করে এবং অতি তিক্ত, অতি অম্ল, অতি লবণাক্ত ও অতি উষ্ণ, অতি তীক্ষ্ণ, অতি শুরু, অতি প্রদাহকর সেগুলি রাজসিক গুণসম্পন্ন মানুষের প্রিয় খাদ্য। তামসিক লােকদের প্রিয় খাদ্য হচ্ছে এক প্রহরের অধিক পূর্বে রান্না হওয়ার ফলে যে সমস্ত খাদ্য বাসী হয়ে গেছে, যা নীরস, অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত, পূর্বদিনে রান্না হয়ে পর্যুষিত, এবং অপরের উচ্ছিষ্ট দ্রব্য এবং অমেধ্য দ্রব্য।

  যজ্ঞ- কোন রকম ফলের আকাক্ষা না করে, শাস্ত্রবিধি অনুসারে কর্তব্যবােধে যে যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয় তাকে সাত্ত্বিক যন্ত্র বলা হয়। জড় জাগতিক লাভের আশায় ফল কামনা করে দম্ভ প্রকাশের জন্য যে যজ্ঞ । অনুষ্ঠিত হয় তাকে রাজসিক যন্ত্র বলা হয়। শাস্ত্রবিধি- বর্জিত, প্রসাদ অন্ন বিতরণহীন, মন্ত্রহীন, দক্ষিণাবিহীন, শ্রদ্ধারহিত যে যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়, তাকে তামসিক যন্ত্র বলা হয়।  
জাগ্রত চেতনা।  


তপস্যা- তপস্যা তিন প্রকার যথা – কায়িক, মানসিক, বাচিক ।। পরমেশ্বর, ব্রাক্ষণ, গুরুজন ও প্রাণের পূজা ও শীছ, সরলতা, শ্ৰম চর্য ও অহিংস - এগুলি হচ্ছে কায়িক পস। অনুদ্বেগকর, সত্য প্রিয় অথচ হিত্তকর বাক্য এবং বেলাদি শাস্ত্র পাঠ করাকে বলা হয় বাচিক তপস্যা। চিত্রের প্রসন্নতা, সরলতা, মেনি, অনিত, ব্যবহারে তুলনারহিত্য ইত্যাদি কে বলা হয় মানসিক তপস্যা। " অনুসালেও তপস্যা তিন প্রকারের আছে; যেমন- নিষ্কান ব্যাক্তির পরমেশন 'ভগবানের প্রীতি সাধনের উদ্দেশ্যে যখন ত্রিবিধ তপস্যা (যেমন- কারিক, মানসিক, চিক) অনুষ্ঠিত হয় তখন তাকে সাত্রিক তপস্য| লুলা হয় । প্রশংসা, পূজা ও সম্মান পাওয়ার আশায় নম্বসহকারে যে তপস্যা করা হয় তা অনিত্য ও অনিশ্চিত লাক্রনিক তপস্যা। মূঢ়তাবশতঃ নিজেকে কষ্ট নিয়ে না পরের বিনাশের হুন যে তপস্যা করা হয় তাকে তামসিক তপন বলে।

 দান- দান করা কর্তব্য বলে মনে করে কোনও প্রপিকলের অশি || করে, 'উপযুক্ত স্থানে, উপযুক্ত সময়ে ও উপযুক্ত পাত্রে য়ে পান করা হয়। তাক লাকি দান বলা হয়। যে দান প্রত্যুপকারের আশা করে বা স্বর্ণাদি লাভের আশা করে অনিচ্ছাসত্বেও করা হয় তাকে বলে রাসিক দান।  
শুচিস্থানে, শুভ সময়ে ও অযােগ্য পাত্রে অবজ্ঞাভরে এবং অনান  
দান করা হয় তাকে তামসিক্ত দান বলা হয় । 

1995 views

Related Questions