2 Answers
বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা: ১. প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে গ্রেড পদ্ধতিতে ৫.০০ এর স্কেলে কমপক্ষে জিপিএ ৪.০০ পেয়ে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট/দাখিল/সমমানের পরীক্ষায় পাশ অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাশ করতে হবে। প্রার্থীকে বাংলাদেশের যে কোন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড/মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড/কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়সমূহের প্রতিটিতে জিপি ৫.০০ পেয়ে এবং ইংরেজি ও বাংলা বিষয় দুটির প্রতিটিতে ন্যূনতম জিপি ৪.০০ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক/আলীম/সমমানের পরীক্ষায় পাশ অথবা বিদেশী শিক্ষা বোর্ড থেকে সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে সমতুল্য গ্রেড পেয়ে পাশ করতে হবে। সকল সঠিক আবেদনকারীর মধ্য হতে নিম্নে উল্লেখিত নির্ধারিত মানের ভিত্তিতে বাছাই করে প্রথম থেকে ৮৫০০তম পর্যন্ত সকল আবেদনকারীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে। এই বাছাইয়ের জন্য যথাক্রমে আবেদনকারীর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ইংরেজিতে প্রাপ্ত জিপি, বাংলায় প্রাপ্ত জিপি, মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এবং মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ (অতিরিক্ত বিষয় ব্যতীত)-কে অগ্রাধিকারের ক্রম হিসাবে বিবেচনা করা হবে। ২. GCE “O” লেভেল এবং GCE “A” লেভেল পাশ করা প্রার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য GCE “O” লেভেল পরীক্ষায় কমপক্ষে পাঁচটি বিষয় (গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন এবং ইংরেজিসহ) এর প্রতিটিতে কমপক্ষে B গ্রেড এবং GCE “A” লেভেল পরীক্ষায় গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন এই তিন বিষয়ের প্রতিটিতে কমপক্ষে A গ্রেড পেয়ে পাশ করতে হবে। ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে GCE “O” লেভেল এবং GCE “A” লেভেল পরীক্ষার ফলাফল প্রাপ্ত সকল সঠিক আবেদনকারীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে। ৩. ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীভুক্ত সকল সঠিক আবেদনকারীকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে। আরো বিস্তারিত জানার জন্য নিচের লিংকটি দেখতে পারেন: http://www.buet.ac.bd/wp-content/uploads/2015/09/Prospectus_2015-16_02-09-15_FINALv7.2.pdf
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েও অনেক শিক্ষার্থী বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ভর্তির আবেদন করতে পারবে না নতুন শর্তের কারণে। বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার জন্য দুটি পরীক্ষায় সামগ্রিকভাবে জিপিএ-৫ পেতে হবে। সেইসঙ্গে পদার্থ, রসায়ন, গণিত ও ইংরেজি আলাদাভাবে জিপিএ-৫ না পেলে ভর্তি পরীক্ষার জন্যই আবেদন করতে পারবে না। কোন শিক্ষার্থী এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় সামগ্রিকভাবে জিপিএ-৫ পেলেও ওই চারটি বিষয়ের প্রত্যেকটিতে জিপিএ-৫ না পেলে ভর্তি পরীক্ষার জন্যই আবেদন করতে পারবে না। জানা গেছে, বুয়েটে ভর্তির ক্ষেত্রে এবছর নতুন নিয়ম করা হবে। ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের জন্য শিক্ষার্থীদের এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেতে হবে। এছাড়া পদার্থ, রসায়ন, গণিত ও ইংরেজিতে আলাদাভাবে জিপিএ-৫ পেতে হবে। গতবছর চারটি বিষয়ে মোট জিপিএ-২০ এর মধ্যে ১৯ চাওয়া হয়েছিল। এ বছর রেকর্ড সংখ্যক শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বুয়েট। বুয়েট সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট বোর্ড থেকে এইচএসসি পরীক্ষার ফল সংগ্রহ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বুয়েট। এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের পর অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে দুইবার পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ থাকলেও বুয়েটে একবারই পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ রয়েছে। বুয়েট সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমাতে ও প্রকৃত মেধাবীদের খোঁজতেই বুয়েট এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। সব বোর্ডে চার বিষয়ে ২০ নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছয় হাজারের কম হলে সেক্ষেত্রে গতবার পাসকরা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ হতে পারে। আর আবেদনকারী ছয় হাজার শিক্ষার্থী পেয়ে গেলে গতবারের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ হবে না এবারও। বুয়েটে এ বছর ৯৬৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এ বিষয়ে বুয়েটের ভিসি অধ্যাপক আমম সফিউল্লাহ বলেন, অতি দ্রুত একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠক ডাকা হবে। তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ বছর কিছু নতুন শর্ত আরোপ করা হবে। আমাদের পরীক্ষা পদ্ধতি সবসময় স্বাতন্ত্র। ভাল শিক্ষার্থী ভর্তি করাই আমাদের উদ্দেশ্য। আমাদের জায়গা সঙ্কট রয়েছে। আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ব্যাপক হলে পরীক্ষা নেয়া কঠিন হয়। তিনি আরও বলেন, গত বছর চারটি বিষয়ে ২০ নম্বরের মধ্যে ১৯ চাওয়া হয়েছিল। এ বছর রেজাল্ট ভাল হওয়ায় ২০ এর মধ্যে ২০ই চাওয়া হবে। বুয়েট ছাড়াও অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে এবার ব্যাপক পরিবর্তন আসছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বাধার সম্মুখীন হতে হবে শিক্ষার্থীদের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জোরালোভাবে। সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডীনরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে। এ বছর ভর্তি ফরম অনলাইনে পূরণের আলোচনা চলছে। প্রস্তুতিও চলছে। শেষ পর্যন্ত প্রস্তুতি শেষ না হলে গত বছরের মতোই এবারও ভর্তি ফরম বিক্রি হবে। তবে চারুকলা অনুষদের ভর্তি ফরম এবারও অনলাইনে পূরণ করতে হবে শিক্ষার্থীদের। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্ভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের জন্য এবার ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের জন্য এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় মোট জিপিটএ-১০ এর মধ্যে কমপক্ষে জিপিএ-৮ পেতে হবে। কলা অনুষদের অন্তর্ভুক্ত ‘খ’ ইউনিটে জিপিএ-৭, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের অন্তর্ভুক্ত ‘গ’ ইউনিটে জিপিএ-৭.৫০ ও বিভাগ পরিবর্তনকারী ‘ঘ’ ইউনিটে জিপিএ ৭.৫০ পেতে হবে। এছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় আলাদা আলাদা জিপিএ পেতে হবে। সুত্র : সামহোয়্যার ইন ব্লগ
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy