1 Answers

টাইপোগ্রাফি হল অক্ষর কে সাজানোর বিভিন্ন কলাকৌশল। বিভিন্ন ধরনের অক্ষরকে বিভিন্ন পদ্ধতিতে সাজানোর বলে টাইপোগ্রাফি। ডিজাইনারদের কাছে খুবি পছন্দের একটি বিষয় হল এই টাইপোগ্রাফি। যেমন ধরুন আপনার নিজের নামটাকে লিখলেন। কিন্তু সোজা ভাবে না লিখে প্রথম অক্ষরটা একটু বড় করে লিখলেন, কিংবা প্রথম অক্ষর টার রং অন্যদের থেকে আলাদা করে দিলেন। কিংবা নামের প্রথম অক্ষরটা ঠিক রেখে বাকীগুলো পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে একটা কলমের আকৃতিতে লিখলেন। লেখার এই কৌশলগুলোকেই একত্রে টাইপোগ্রাফি বলা হয়|

Typography আধুনিক যুগের টাইপোগ্রাফির বৃত্তটা অনেক বড়। এক লাইনে ব্যাখ্যা করি। যেমন :

টাইপ ডিজাইনিং : টাইপ জিজাইনিং সম্পর্কে সবাই জানে। যেকোন রকমের অক্ষর সাজানোকেই টাইপ ডিজাইনিং বলে।

ক্যালিগ্রাফি : অক্ষর চিত্র। এটি প্রাচীন কাল থেকে চলে আসছে। এই পদ্ধতির জন্য দরকার হয় বিশেষ ধরনের তুলি ও কলম| বিশেষ করে চীন ও এরাবিয়ান দেশে বহুল প্রচলিত |

গ্রাফিটি : পশ্চিমী আর্ট। এর কোন নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। কোনো মিডিয়াম ও নেই। যেভাবে খুশি দুমড়ে-মুচড়ে শব্দকে লেখা যায় । এটি পপ কালচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।

পোস্টার ডিজাইন : বিশেষ করে সিনেমার পোস্টার ডিজাইনে যে ধরনের ফন্ট নেওয়া হয় বা ব্যবহার করা হয় ।

টাইটেল এনিমেশন : সিনেমার প্রথমে বা শেষে কলা-কুশলীদের নাম দেখানোর জন্য এই ধরণের টাইপোগ্রাফিব্যবহার করা হয় ।

লোগো ডিজাইনিং – লোগো বা প্রতীক বানানোর জন্য ক্ষেত্রে টাইপোগ্রাফির ব্যবহার লক্ষণীয়।

প্রায় বেশ প্রাচীন কাল থেকেই এই ধরনের গ্রাফের ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রাচীন গ্রিসের কিছু প্রিন্টিংয়ে এই ধরনের ডিজাইনের চিহ্ন পাওয়া যায়, এরপর থেকে আজ পর্যন্ত টাইপোগ্রাফের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয়তার সাথে বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে প্রমোশনের জন্য ব্যবহৃত বিজ্ঞাপনগুলোতে বর্তমানে এর প্রচুর ব্যবহার হচ্ছে।

2566 views

Related Questions