1 Answers
আপনার স্ত্রীর ২১ তারিখে পিরিয়ড এর সময় হলে পরের মাসে ১১ তারিখে অনিরাপদ সময়ে মিলন করেছেন তবে বীর্য বাহিরে ফেললেও লিঙ্গ সঞ্চালন করাকালীন সামান্য বীর্য যোনির গভিরে পৌছালে প্রেগন্যান্সি সম্ভাবনা থাকে।
যেহেতু এ মাসে ওনার পিরিয়ড ৯ দিন থেকে মিসিং সে ক্ষেত্রে অপেক্ষা করুন আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে পিরিয়ড না হলে প্রেগন্যান্সি টেস্ট করবেন।
তবে এখন ওনাকে বলুন ওনার প্রেগন্যান্সি লক্ষন গুলো প্রভাব ফেলছে কিনা।
প্রেগন্যান্ট এর লক্ষন গুলো জেনে নিন।
প্রেগন্যান্সি লক্ষন গুলো হলো।
- মাথা ব্যথা,মাথা ঘোড়া।
- শারীরিক দুর্বলতায়,
- শারীরের তাপমাত্রা উঠানামা করা।
- খাবারে অরুচি।
- বমি ভাব বা প্রচুর বমি হওয়া।
- তলপেটে প্রচন্ড ব্যথা বা চিন চিন ব্যথা করা।
- মেজাজ ভালো না থাকা।
- ঘন ঘন প্রস্রাব আশা।
- পেট ফাঁপা বা কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়া।
- স্তনে ব্যথা ও নিপলে ব্যথা হতে পারে।
উক্ত লক্ষন গুলো সবার ক্ষেত্রে এক সাথে সকল উপসর্গ দেখা দিবে না। আসতে আসতে প্রভাব ফেলবে যা প্রেগন্যান্সির প্রথম সপ্তাহ থেকে শুরু হবে ও ৩/৪/৫/৬ সপ্তাহ পর্যন্ত উক্ত উপসর্গ গুলো কখনো বেশি প্রভাব ফেলবে আবার কখনো কম।এভাবে প্রেগন্যান্সির ৩ মাস পর্যন্ত থাকতে পারে তবে এক সময় কমে যাবে যা ২ + মাস হলেই লক্ষন গুলো কমতে থাকবে ।
ধন্যবাদ।