1 Answers
ধন্যবাদ প্রশ্ন করার জন্য। আপনি বেবি নিতে চান সেক্ষেত্রে আপনি আমার এই উত্তর টি মনযোগ দিয়ে পড়ুন আসা করি বুঝতে পারবেন। সতর্কতাঃ প্রথমত আপনাকে বলবো আপনার মাসিক অনিয়মিত হলে বা আপনার মাসিক সংক্রান্ত কোন সমস্যা থাকলে বা সাদা স্রাব হলে বা যোনি সংক্রান্ত কোণ সমস্যা থাকলে বা জরায়ু বা ইউরিন ইনফেকশন সহ হরমোণ কম বা অতিরিক্ত বেশি হলে ,pcos বা ওভারি সিস্ট হলে ,স্তনে সিস্ট হলে , থাইরয়েড এর সমস্যা হলে , দির্ঘ দিন মাসিক বন্ধ থাকলে এছাড়াও গোপন সংক্রান্ত কোণ সমস্যা থাকলে তা আগে গাইনি চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিবেন ও নিয়মিত করে মেডিসিন নিবেন ও সুস্থ্য হওয়ার পর আমার নিম্নে দেয়া নিয়ম গুলো মেনে চলবেন ও ফলো করবেন। মনে রাখবেন আপনার মাঝে কোন গোপন সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে বেবি হওয়া/কন্সিব করা সহজ বোধ হবে না বা কন্সিব করা সম্ভব হবে না।
আপনি বেবি নিতে চান ।তাহলে আপনাকে আপনার ওভুলেশনের সময় মিলন করতে হবে। অর্থাৎ আপনার যেদিন ডিম্বস্ফোটোন(ডিম্বপাত)হয় তার এক দিন আগ থেকে মিলন করবেন মাত্র এক সপ্তাহ তাহলে আপনার বেবি হওয়ার চাঞ্চ থাকবে ।
ওভুলেশন এর সময় হলো নারীদের প্রতিমাসেই ডিম্বশয়ে একটি করে ডিম্ব তৈরি হয়। আর এই ডিম্বটি নিষিক্ত হওয়ার জন্য ফিলুপিউন টিউবে দিয়ে জরায়ুতে এসে ১২-২৪ ঘন্টা কারো ক্ষেত্রে ৩৩-৩৬ ঘন্টা অপেক্ষা করে এর মাঝে পুরুষের শুক্রানু ডিম্বানু সাথে মিলিত না হলে ডিম্বটি নষ্ট হয়ে যায় এবং নির্দিষ্ট সময়ে যোনি পথদাড়া বেড়িয়ে আশে ( রক্ত হিসাবে যাকে মাসিক বা ঋরুস্রাব বা পিরিয়ড ও ইত্যাদি নামে চিনি ) এই প্রক্রিয়াকে ওভ্যুলেশন বলে।
আপনার ওভ্যুলেশন হতে পারে যদি আপনার মাসিক নিয়মিত হয় যা ২৮/৩০ অথবা ৩৩/৩৪ দিন পর পর হয় তাহলে সেক্ষেত্রে ১৪/১৬ অথবা ১৭/১৮ তম দিনের মধ্যে আপনার ডিম্বপাত (ওভ্যুলেশন) হয়ে থাকবে। আর এই ওভ্যুলেশন এর লক্ষণ বুঝেই আপনি মিলন এবং মিলনের সময় বীর্যপাত হলে আপনার যোণির গভিরে বীর্যপাত করে নিবেন তাহলেই বেবি হওয়ার চাঞ্চ অনেক বেশিই থাকবে আর এই ওভুলেশনের লক্ষন গুলো হল–
-
- ওভুলেশন / ডিম্বপাত যন্ত্রনা বা পেটের যন্ত্রনা দেখা যায় অর্থাৎ হালকা ব্যথা বা নিচ পেটে চিন চিন করতে পারে
- যৌনখুধা বৃদ্ধি পায় ফলে সহবাসের জন্য উতলা হয়ে উঠে ও যৌনি দিয়ে কামরস আসতে থাকবে ।
- নাক দিয়ে পানি পড়ে এবং মাথা ধরে
- কারো ক্ষেত্রে যোণি পথে সামান্য ব্লাড আসতে পারে।
- তলপেটে চিন চিন ব্যথা করতে পারে।
- শরীরের তাপমাত্রা উঠানামা হয়।
- ওভুলেশন / ডিম্বপাত এর সময়ে যৌন উত্তেজনায় খুব শীগ্রই কামরস নির্গত হতে পারে যা আঠালো।
ডিম্বপাতের এর প্রথম দিকে এই লক্ষণ গুল দেখা দিতে পারে যা মিন্স অনিয়মিত বা নিয়মিত হোক না কেন ,কিন্তু পরবর্তীতে সময়ের আসতে আসতে কমে যাবে।
আর এতেই এটা বোঝা যায় যে কবে ওভুলেশন ডেট হবে আর সেই অনুযায়ী আপনি মিলন করবেন আসা করি গর্ভধারনের সম্ভাবনা বেশিই থাকবে আপনার। তবে সবার ক্ষেত্রে এসব লক্ষন সমান হারে নাও প্রভাব ফেলতে পারে বা ওসব লক্ষন এক সাথে সব লক্ষন প্রভাব ফেলবে না।এছাড়াও আপনি ইউরিন টেস্ট এর মাধ্যমে জানতে পারবেন আপনার ডিম্বপাত হয়েছে কিনা।
এছাড়া ও সহজ ভাবে বলতে গেলে আপনি আপনার নিয়মিত মাসিকের ক্ষেত্রে অর্থাৎ আপনার মাসিক নিয়মিত হলে আপনার মাসিক হওয়ার ৯ তম দিন হতে ২১ তম দিন পর্যন্ত এই সময় গুলোতে মিলন করবেন প্রতিদিন বা ১ দিন পরপর । এবং মিলনের সময় বীর্যপাত হলে আপনার যোণির গভিরে বীর্যপাত করে নিবেন এবং আপনি চিৎ হয়েই সুয়ে থাকবেন ৩০-৪০ মিনিট পর্যন্ত এবং আপনার স্বামীকে মিলনের পর পরেই পেনিস বের করতে বলেবেন না এতে আপনার যোণি থেকে বীর্য গরীয়ে পরে গেলে বাচ্চা জন্মদানে ব্যর্থ হতে পারেন। (সতর্কতাঃ বেবি নিতে চাইলে আপনার স্বামীকে বলবেন শুধু ওভুলেশনের সময় বা মাসিকের ৯তম-২১ তম দিনের মধ্যেই মিলন করতে হবে এর পর মিলন করা যাবে না বা বন্ধ করতে হবে এবং এর পর আপনার মাসিক মিসিং থাকলে মিলন ওফ থাকবে এবং মাসিক বন্ধের ২/৩ সপ্তাহের মধ্যে মাসিক না হলে প্রেগন্যান্সির টেস্ট করবেন । আপনি প্রেগন্যান্ট হলে প্রথম ৩ মাস মিলন অফ থাকবে আর বিশেষ করে এই নিয়ম টি না মানলে বেবি কঞ্চিব হলেও তা আটকানো সম্ভব হবে না যা মিলনের কারনে ভ্রুন নষ্ট হতে পার। এবং প্রেগন্যান্সির প্রথম ৩ মাস ও শেষের ২ মাস বাদে মাঝের সময় গুলোতে মিলন করতে পারবেন তবে এতেও সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ) প্রেগন্যান্সি থাকা কালিন ভারি কাজ করা যাবে না। তলপেটে চাপ পাবে এর কম কাজ করবেন না ,উচু স্থানে বসবেন, মিলনের সময় যোণিতে অধিক চাপ দেওয়া যাবে না, সর্বদাই পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে ওপানি বেশি করে পান করতে হবে। এছাড়াও গাইনি চিকিৎসকের পরামর্শ ও সেবা সাথে রাখবেন।
আসা করি আমার দেওয়া উক্ত নিয়ম গুলো ফলো করলে বেবি নেওয়া অনেক সহজ হবে ।আসা করি বুঝতে পারছেন। পরবর্তীতে আপনার কোণ সমস্যা হলে আমাদের Bissoy answer এ জানাবেন আসা করি আমি চেষ্টা করবো আপনাকে পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করতে ।ধন্যবাদ বিস্ময়ের সাথেই থাকুন ।