4 Answers

ইচ্ছা করলে যেকোনো নেশা থেকে মুক্ত থাকা যায়। রোগী নিজ থেকে নেশা ছাড়তে চাইলে কাজটা সহজ হয়। আপনার ইতিবাচক দিক হলো, আপনি নিজেই নেশা ছাড়তে চাইছেন। চেষ্টা করেও তা পারেননি, কারণ ফেনসিডিল ছাড়ার পর যে শারীরিক ও মানসিক সমস্যা তৈরি হয়, তার যথাযথ চিকিৎসা করেননি। মাদকের ক্ষেত্রে স্থান-কাল-পাত্র বলে একটা কথা আছে। যেমন মাদক গ্রহণকারী বন্ধুদের দেখলে; যে জায়গায় মাদক নেওয়া হয়, সেখানে গেলে এবং যে সময় মাদক নেওয়া হয়, সে সময় এলে মাদকের প্রতি প্রচণ্ড আকর্ষণ বেড়ে যায়। ফলে এসব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকতে হবে। নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। প্রিয়জনের কাছে থাকবেন। পরিবারকে জানান। এখানে লজ্জার কিছু নেই। এটা একটা রোগ। অন্য কোনো রোগ হলে কি আপনি লুকিয়ে রাখতেন? এখনই একজন চিকিৎসকের সাহায্য নিন। মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এলে আপনার শরীর পরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেব।

3415 views Answered

উক্ত সমস্যার সমাধানটি কিন্তু আপনার নিজের হাতেই সম্পূর্ণ ডিফেন্স করে,আপনি ইচ্ছা করলেই কিন্তু এটা থেকে মুক্তি পেতে পারেন অর্থাৎ নেশা পরিহার করবেন কিনা সেটা কিন্তু সম্পূর্ণ নিজের উপর।একটা কথায় স্বরন রাখবেন নেশা কিন্তু মারাত্মক ক্ষতিকর নাম, যার উপর নাম হচ্ছে ভয়াভহ। নেশা খাওয়া মানেই তো সুন্দর দেহটাকে ক্রয় করা।অলটাইম নেশাকে এরিয়ে চলার চেষ্টা করুন। এই জগৎতে যদি সুন্দর একটা দেহের অধিকার নিয়ে জীবন যাপন করতেই চান তো সে ক্ষেত্রে নেশা বর্জন করতেই হবে।

3415 views Answered

১) প্রথমে সিদ্ধা- নিন কেন ধূমপান ছাড়া আপনার জন্য জরুরী। অর্থাৎ কি কারণে ধূমপান ছাড়তে চান। যেমন ক্যান্সার ও হার্ট এ্যাটাকের ঝুকি কামাতে।

২)কোন ধরনের থেরাপি বা মেডিকেশন ছাড়া ধূমপান ছাড়া ঠিকনয়। কারণ সিগারেটের নিকোটিনের ওপর ব্রেইন অনেক ক্ষেত্রে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ছেড়ে দিলেই নানা উপসর্গ শুরু হয়। তাই সিগারেটের বিকল্প থেরাপির কথা চিন্তা করতে হবে।

৩) নিকোটিনের বিকল্প গাম, লজেন্স ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে।

৪)নিকোটিনের বিকল্প ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।

৫) একা একা ধূমপান না ছেড়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্য (যদি ধূমপায়ী থাকেন), বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মীদের উৎসাহিত করে একসঙ্গে ধূমপান ত্যাগের ঘোষণা দিন।

৬)মানসিক চাপ কমাতে চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে হালকা ম্যাসাজ নিন।

৭)অ্যালকোহল পরিহার করুন।

৮)মনোযোগ অন্যদিকে নিতে ঘর পরিষ্ক্ষার করতে চেষ্টা করুন।

৯)ধূমপান ত্যাগের জন্য বার বার চেষ্টা করুন। একবার ছেড়ে দিলে দ্বিতীয় বার আর ধূমপান করবেন না।

১০)নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

১১)প্রচুর পরিমাণ সবুজ শাক-সবজি ও রঙিন ফলমুল খান।

১২) ধূমপান বন্ধ করে যে আর্থিক সাশ্রয় আপনার হবে তার একটা অংশ হালকা বিনোদনে ব্যয় করুন।

১৩)আর ধূমপান ছাড়-ন বন্ধু-বান্ধব বা প্রেমিককে খুশী করার জন্য নয়, বরং আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্যই এটা করেছেন। এমন জোরালো অবস্থান নিন

3415 views Answered

নেশা নামক এ ঘাতককে চিরতরে নির্বাসনে দিতে চান কি‘ নানা কারণে ধূমপান আর ছাড়া হয় না। বিশেষজ্ঞগণ ধূমপানের আসক্তি থেকে নিজেকে রক্ষার ১৩টি উপায় বলে দিয়েছেন। এসব অনুসরণ করলে অবশ্যই ধূমপান ছাড়া সম্ভব। এই ১৩টি উপায় হচ্ছে- ১) প্রথমে সিদ্ধা- নিন কেন নেশা ছাড়া আপনার জন্য জরুরী। অর্থাৎ কি কারণে ধূমপান ছাড়তে চান। যেমন ক্যান্সার ও হার্ট এ্যাটাকের ঝুকি কামাতে। ২)কোন ধরনের থেরাপি বা মেডিকেশন ছাড়া নেশা ছাড়া ঠিকনয়। কারণ নেশা নিকোটিনের ওপর ব্রেইন অনেক ক্ষেত্রে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ছেড়ে দিলেই নানা উপসর্গ শুরু হয়। তাই নেশা বিকল্প থেরাপির কথা চিন্তা করতে হবে। ৩) নিকোটিনের বিকল্প গাম, লজেন্স ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে। ৪)নিকোটিনের বিকল্প ওষুধ সেবন করা যেতে পারে। ৫) একা একা নেশা না ছেড়ে পরিবারের অন্যান্য সদস্য (যদি নেশায় থাকেন), বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মীদের উৎসাহিত করে একসঙ্গে নেশা ত্যাগের ঘোষণা দিন। ৬)মানসিক চাপ কমাতে চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে হালকা ম্যাসাজ নিন। ৭)অ্যালকোহল পরিহার করুন। ৮)মনোযোগ অন্যদিকে নিতে ঘর পরিষ্ক্ষার করতে চেষ্টা করুন। ৯)নেশা ত্যাগের জন্য বার বার চেষ্টা করুন। একবার ছেড়ে দিলে দ্বিতীয় বার আর নেশা করবেন না। ১০)নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ১১)প্রচুর পরিমাণ সবুজ শাক-সবজি ও রঙিন ফলমুল খান। ১২) নেশা বন্ধ করে যে আর্থিক সাশ্রয় আপনার হবে তার একটা অংশ হালকা বিনোদনে ব্যয় করুন। ১৩)আর নেশা ছাড়-ন বন্ধু-বান্ধব বা প্রেমিককে খুশী করার জন্য নয়, বরং আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্যই এটা করেছেন। এমন জোরালো অবস্থান নিন

3415 views Answered

Related Questions

Next steps