4 Answers

আপনার পডাশোনায় সিরিয়াস হওয়া দরকার।অন্যসব চিন্তা বাদ দিয়ে একমাত্র পডাশোনাটাকেই মুখ্যভাবে নিন। মনোযোগটা পডাশোনায় বেশি দিন।

2880 views

অযথা চিন্তা বা টেনশন করবেন না, আপনার টেনশন একটাই থাকবে কি ভাবে ভাল রেজাল্ট করা যায়, মনযোগ দিয়ে পড়তে বসুন, উদ্ভব চিন্তা মাথা থেকে বেড় করে পড়ালেখায় মনযোগ দেয়ার চেষ্টা করুন

2880 views

আপনার প্রতি পরামর্শ ১.নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ় হউন, ২.একটি কঠিন লক্ষ্য নিয়ে পড়ুন, ৩.আপনি ঘুমের আগে সন্ধ্যার পড়াগুলো একটু মাথায় আনুন, ৪.ক্লাসের একটা ছেলে কে,পিছনে ফেলার প্রত্যয়, অথবা জিপিএ ৫ পাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে পড়তে বসুন। ৫.সাইবার জগৎ থেকে একটু দূরে থাকুন। ৬.মস্তিষ্ক কে ভালো পর‍্যায়ে রাখুন। ৭.ঠান্ডা মাথায় পড়তে বসুন।

2880 views

পড়া মনে রাখার পাঁচ কৌশল ফজলে আজিম : পড়া মনে রাখার বেশ কিছু কার্যকর কৌশল রয়েছে। ক্লাসের প্রথম সারির শিক্ষার্থীরা সাধারণত এ কৌশলগুলোর মাধ্যমে নিয়মিত পড়াশোনা করে। অল্প পরিশ্রমে বেশি পড়া মনে রাখার কৌশলগুলো হচ্ছে- পড়া + লেখা = পড়ালেখা : সারাদিন পড়লেই যে সবকিছু মনে থাকবে এ ধারণা ভুল। যা পড়া হয়েছে তা যদি লেখার অভ্যাস থাকে তবে তা বেশি দিন মনে থাকবে। একারণেই পড়া+লেখা= পড়ালেখা। এতে পরীক্ষার খাতায় লেখার সময় ভুলের সম্ভাবনা কমে যায়। পড়ার পাশাপাশি নিয়মিত লেখার অভ্যাস করলে বাড়ে স্মৃতিশক্তি ও আত্মবিশ্বাস। আত্মবিশ্বাস : যেকোনো কাজে সফল হওয়ার প্রথম ও প্রধান শর্ত হচ্ছে নিজের প্রতি বিশ্বাস। মনকে বোঝাতে হবে পড়াশোনা অনেক সহজ। পড়াশোনার সঠিক কৌশল অবলম্বন করে আমিও পারব। আমার পক্ষেও বড় কিছু করা সম্ভব। এভাবে নিজের সঙ্গে বারবার কথা বলতে হবে। এতে মনও বুঝতে শুরু করবে এতো নাছোড় বান্দা। আপনার চিন্তাভাবনা তখন মস্তিষ্কে প্রোগ্রাম আকারে সেট হয়ে যাবে। আমি পারি, আমি করব এ ধারণা নিয়ে এগুলে অনেক কঠিন পড়াও সহজে বুঝতে পারবে এবং মনে থাকবে। একবার পড়েই সবকিছু মনে রাখা কঠিন। তাই পাঠ্য বিষয় ভালোভাবে বুঝে পড়তে হবে। ছন্দ তৈরি করে মনে রাখা : ছন্দের আকারে যেকোনো বিষয়ের কঠিন অংশগুলো খুব সহজে মনে রাখা যায়। যেমন-রঙধনুর সাত রঙ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো ‘বেনীআসহকলা’ শব্দটি মনে রাখা। প্রতিটি রঙের প্রথম অক্ষর রয়েছে শব্দটিতে। একইভাবে ত্রিকোণমিতির সূত্র মনে রাখতে ‘সাগরে লবণ আছে, কবরে ভূত আছে, ট্যারা লম্বা ভূত’ ছড়াটি মনে রাখা যেতে পারে। এর অর্থ দাঁড়ায়… সাইন=লম্ব/অতিভুজ (সাগরে লবণ আছে), কস=ভূমি/অতিভুজ (কবরে ভূত আছে) ট্যান=লম্ব/ভূমি (ট্যারা লম্বা ভূত)। মেধাবী ছাত্ররা নিজেই নিজের মতো করে নানা রকম ছড়া তৈরি করে নিতে পারো। উচ্চস্বরে পড়া : পড়া মুখস্থ করার সময় শব্দ করে পড়তে হবে। এই পদ্ধতিতে পড়লে কথাগুলো কানে প্রতিফলিত হয়। এতে সহজে পড়া মনে থাকে। কারও কারও ক্ষেত্রে শব্দহীনভাবে পড়ালেখা করলে একসময় পড়ার গতি কমে যায়। পড়া শেখা হলে বারবার তা পুনরাবৃত্তি করতে হবে। এটাও পড়া মনে রাখার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য করে। তবে শব্দ করে পড়ার পদ্ধতিতে একটানা কিছুসময় পড়লে শিক্ষার্থীরা দ্রুত কাহিল হয়ে যায়। শেয়ারিং : কোনো বিষয় বুঝতে অসুবিধা হলে বন্ধুরা মিলে প্রত্যেকে প্রত্যেকের মতো করে বিষয়টি নিয়ে মনের ভাবগুলো প্রকাশ করতে পার। সবার কথাগুলো একত্র করলে অধ্যায়টি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা তৈরি হবে।

2880 views

Related Questions