পেপটিক আলসারে কী খাওয়া যাবে না?
2 Answers
ধূমপায়ীদের মধ্যে এ রোগের প্রবণতা বেশি।
এ ছাড়াও কারো পৌষ্টিকতন্ত্র থেকে যদি বেশি পরমাণে অ্যাসিড ও প্রোটিন পরিপাককারী একধরনের এনজাইম বা পেপসিন নামে পরিচিত তা নিঃসৃত হতে থাকে এবং জন্মগতভাবেই পৌষ্টিকতন্ত্রের গঠনতন্ত্রের গঠনগত কাঠামো দুর্বল থাকে তাহলেও পেপটিক আলসার হতে পারে।
তবে সাধারণত যে কথাটা প্রচলিত ভাজা-পোড়া কিংবা ঝালজাতীয় খাবার খেলে পেপটিক আলসার হয় এর কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ চিকিৎসা বিজ্ঞানে মেলেনি। তবে যারা নিয়মিত আহার গ্রহণ করেন না কিংবা দীর্ঘ সময় উপোস থাকেন, তাদের মধ্যে পেপটিক আলসার দেখা দিতে পারে।
উপকারী খাদ্যসমূহঃ
পাতলা সুজি ১ কাপ, নরম সিদ্ধ ডিম ১টি, পাকা কলা ১টি।
সকাল ১০টা-১১টা- ১ গ্লাস ইসবগুলের শরবত।
দুপুরের খাবার-
পোলাও চালের নরম ভাত ২ কাপ, নরম মাছ ২ পিস, পেঁপে তরকারি ১ কাপ, পাতলা ডাল ১ কাপ।
বিকেলের নাশতা-
টক-মিষ্টি দই দেড় কাপ, পাউরুটি জেলি ৩ স্লাইস।
রাতের খাবার-
নরম পোলাও চালের ভাত ২ কাপ, নরম মাছ-মুরগির মাংস ১ পিস, পাতলা করে কাটা শসা আধা কাপ।
শোবার আগে-
২ চা চামচ দুধ+ইসবগুলের ভুসি ১ গ্লাস।
অতিরিক্ত গরম ও ঠান্ডা খাবার না খাওয়াই ভালো।
আলসারের তীব্রতায় শাক, বেশি আঁশযুক্ত খাবার খেলে পেটের ফাঁপা ভাব বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই হালকা খাবার, যা সহজে হজম হয় এমন খাবার বেশি করে খেতে হবে।