2 Answers
তেঁতুল বা টক জাতীয় খাবারের কথা শুনলেই মানব মনে এক ধরনের উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। খাবার টক হয় জৈব এসিডের উপস্থিতির কারনে। টক খাবারের স্বাদের অভিজ্ঞতা আমাদের মস্তিষ্কের অনিয়ন্ত্রনযোগ্য অংশের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। টক খাবার আমাদের স্যালিভা স্যাকরেশন বাড়ায় যা লালাগ্রন্থী কে লালা ক্ষরণ করার নির্দেশ দেয়। তাই জিভে পানি আসে।
"তেঁতুল দেখলে জিহ্বায় পানি আসে কেন??? " তখন আমরা ইন্টার্নী করি, এক রোগী এসে বল্লো 'স্যার প্রেশার বেশি, ২ দিন ধরে অনেক গ্লাস তেতুঁলের শরবত খাইলাম প্রেশার আর কমলো না '!!!!! আমরা যারা হসপিটালে রোগী দেখি আমরা প্রায়ই দেখি রোগীরা ব্লাড প্রেশার বাড়লে তেতুঁল খেয়ে আসে. তখন খুব রাগ লাগতো!!!! তেঁতুল খাইলে কি আবার প্রেশার কমে নাকি???????কাজ আর পান না, নাহ!!!!! কিন্তু এখন পড়াশোনা করে দেখলাম তেঁতুলের প্রেশার কমতে পারে এবং ভালো ই কমে। # কারন : প্রতি ১০০ গ্রাম তেঁতুলে 628mg K+ (potassium) থাকে, আর পটাশিয়াম হলো একটা পোটেন্ট ভেসোডায়লেটর। এছাড়া তেঁতুলে একটা এ্যাসিড থাকে নাম Tartaric acid আবার এ্যাসিড ও একটা পোটেন্ট ভেসোডায়লেটর। আর ভেসোডায়লেট হলে প্রেশার কমবে এটাই মেকানিজম। আলটিমেটলি, তেঁতুল খাইলে প্রেশার কমার সম্ভাবনা ব্যাপক। # শতর্কতা : এই তেঁতুল হলো একটা ফলের নাম, যার ইংলিশ নেইম Tamarind. এটা কোন হুজুরের তেঁতুল না আবার # প্রশ্ন ..তেঁতুল দেখলে জিহ্বায় পানি আসে কেন??? # উত্তর : 'তেঁতুলে থাকে অনেক বেশি টারটারিক এ্যাসিড আর এই এ্যাসিড যখন খাওয়া হয় তখন একে ডায়লুট ও নিউট্রিলাইজ করার জন্য অনেক বেশি এ্যালকালাইন স্যালাইভা দরকার হয়, ফলে অনেক বেশি স্যালাইভেশন হয়। আর এটা ব্রেইনে মেমরি হিসেবে থাকে, ফলে কেউ যখন তেঁতুল দেখে তখন তেঁতুল রিলেটেড মেমোরি এ্যাকটিভ হয়ে যায়, সাথে সাথে ব্রেইন থেকে স্যালিভেটরি গ্লান্ডে সেকরেটো মোটর ইমপালস চলে আসে। যা স্যালাইভেশন করে দেয় '' আর এভাবেই তেঁতুল দেখলে মুখে লালা চলে আসে # প্রমাণ :যারা কখনো তেঁতুল খায় নায় তাদের কখনো তেঁতুল দেখলে স্যালাইভেশন হয় না কৃতজ্ঞতা - কাজী মুনির ইসলাম